3 Answers

ভালো ঘুমের জন্য দেয়া হলো কিছু পরামর্শ... নিয়মিত জীবনযাপন- একই সময় ওঠুন আর পুরো সপ্তাহ ঘুমানোর একই সময় রাখুন। তাড়াতাড়ি ঘুমান- যদি আপনার অভ্যাস থাকে দেরিতে শুয়ে দেরি করে ওঠা, তাহলে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর অভ্যাস করুন। যদি টেলিভিশন দেখা আর ইন্টারনেটে সার্চ করার জন্য আপনি দেরি করে ঘুমান তাহলে পরের দিন দেরি করে উঠবেন আর আপনার শ্রান্তি স্থায়ী হবে। রাত ৮টার আগে খেয়ে ১১টার মধ্যে ঘুমানোর চেষ্টা করেন। বেশি খাবেন না- ঘুমানোর আগে বেশি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ যাতে ঘুমের ব্যাঘাত হয়। খিদের জন্য ঘুমাতে না পারলে শর্করা আর মিষ্টিজাতীয় খাবার একটু খেতে পারেন। নিয়মিত ব্যায়াম- হাঁটা, জগিং, সাঁতার বা সাইকেল চালানো সপ্তাহে ৩ দিন ২০-৩০ মিনিটের জন্য শরীরকে রিল্যাক্স করে আর গভীরভাবে ঘুমাতে সাহায্য করে। সুতির জামা পরুন- ঘুমানোর জন্য হাল্কা পোশাক ভালো। সুতির জামা যা ঘাম শুষে নিতে পারে আর বাতাস যেতে পারে এমন দেখে বেছে নিন। আঁটো কিছু পরবেন না। আপনার উপযুক্ত বালিশ বেছে নিন- বালিশ না ব্যবহার করলে তা আপনার ঘুমে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে কারণ রক্ত আপনার মাথায় উঠে আসবে। বালিশ উঁচু হলে কাঁধে আর গলায় রক্তের চাপ বাড়বে। মেডিটেশন বা প্রার্থনা করুন- যখন ঘুম আসে না তখন প্রার্থনা করুন বা বিড়বিড় করুন। আপনি তখন ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়বেন। ঘুমানোর চেষ্টা করলে ঘুমে ব্যাঘাত হয়। তাই ঘুম না এলে বই পড়ার চেষ্টা করুন। ক্লান্তিতে ঘুম নেমে আসবে চোখে।

3240 views

তাহলে আপনি খুবই অলস।অলস ব্যাক্তিদের সাধারণত ঘুম কমই আসে।কারণ অলস ব্যাক্তিরা কোন কাজই করে না তো এদের ক্লান্তি আসবে কই থেকে ক্লান্তি থাকলে না ঘুম আসবে।তাই আপনাকে নিয়মিত বেশি বেশি ঘুমের জন্যে কাজ করতে হবে।দৈহিক ৭ থেকে ৮ ঘন্টা কাজ করুন দেখবেন দিনেও ঘুম হবে রাতেও ভালো ঘুম হবে।

3240 views

ঘুম সমস্যার 90%

ই দায়ী মানসিক বিভিন্ন দুঃচিন্তা, অবসাদ

হতাশা, ইত্যাদি।

ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম দুটিই ঘুম উদ্রেককারী খাবার। একারনেই ঘুমুতে যাওয়ার পূর্বে ১ গ্লাস উষ্ণ গরম দুধ পান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন ডাক্তারগণ।

দুধের সাথে 2 চা চামুচ মধু মিশে খান, সাথে

একটা কলা খেয়ে ঘুমান।

3240 views

Related Questions