2 Answers

জলীয় বাষ্প ধারণকারী বাতাস ক্রমান্বয়ে উপরে ওঠে যায়।

আমরা হয়তো পানি গরম করার সময় খেয়াল করে থাকব পানি যখন ফুটে ওঠে তখন পানিগুলো চলাচল করতে শুরু করে। পানির এই চলাচলটা হচ্ছে পরিচলন প্রবাহ। পানি [তরল] তার ধারণকারী পাত্রের মাঝখান দিয়ে উপরে ওঠে এবং কিনারা ঘেঁসে আবার নিচে চলে যায়। ঠিক এই প্রক্রিয়াটাই চলে জলীয় বাষ্পহীন শুষ্ক বাতাস এবং জলীয় বাষ্পধারী সিক্ত বাতাসের মাঝে।

এই কারণটার জন্যই আমরা কাপড় শুকাতে পারি। নইলে সূর্যের তাপে ভেজা কাপড় গরমই শুধু হয়ে যেত শুকাতো না কখনো। সমুদ্রের পানি পৃষ্ঠের কাছাকাছি কিংবা কাপড়ের কাছাকাছি চারিদিকে বাতাস জলীয় বাষ্প দ্বারা সিক্ত হয়ে যায়- আর বাতাসের মাঝে বাষ্প ধারণের একটা সীমা আছে। চাইলেই বাতাস অধিক পরিমাণ বাষ্প নিজের বুকে নিয়ে রাখতে পারে না। ধরা যাক কাপড়ের আশে পাশে কিছুটা অঞ্চল সিক্ত হয়েছে। এখন সেখানে নতুন করে শুষ্ক বাতাস এলে কাপড় আবার কিছুটা জল ত্যাগ করতে পারবে। এভাবেই বাতাসের আসা যাওয়ার মাধ্যমে একটি ভেজা কাপড় শুকায়।

image

বাতাসের চলাচল আছে বলে বাতাসে ভেজা কাপড় রাখলে সে কাপড় শুকিয়ে যায়।

3198 views Answered

বাতাস একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও চাপে নির্দিষ্ট পরিমান জলীয়বাষ্প নিজের মধ্যে নিতে পারবে। এই কারনে ভেজা কাপড় রেখে দিলে এমনিতেই শুকানো শুরু করে কারন সেই ভেজা কাপড় থেকে জলীয়বাষ্প বাতাসে যেতে শুরু করে।

3198 views Answered

Related Questions