7 Answers
সকালে ঘুম থেকে উঠলে শরীর এবং মন উভয় ভালো এবং সতেজ থাকে। পড়াশুনা: ভোরে ঘুম থেকে উঠলে আপনি ফ্রেস মনে পড়াশুনায় সময় দিতে পারবেন। এতে কোনো কিছু অন্য সময়ের থেকে তাড়াতাড়ি মুখস্ত হয়। তাছাড়া, ছোট ভাই-বোনেরা আপনার পড়াশুনায় ব্যাঘাত ঘটাবে না। বিশুদ্ধ বায়ু: সারাদিন মানুষের চলাফেরা ও কলকারখানা খুলা থাকে বলে দিনে বাতাসে প্রচুর রোগ- জীবানু থাকে। কিন্তু ভোরের বায়ু থাকে বিশুদ্ধ। ফলে আপনি নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় বিশুদ্ধ বায়ু শরীরের ভেতরে নিতে পারছেন।
উপকারিতাঃ ১. নাস্তা : দিনের কাজ শুরুর জন্য সকালের নাস্তা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই সকালে উঠে একটা জম্পেশ নাস্তা করা অতি জরুরি কাজের মধ্য একটি। কারণ সকালের স্বাস্থ্যকর নাস্তা পুষ্টি ও ভিটামিন দেয় আমাদের। তাই যেকোনো কাজে ভালো পারফরমেন্সের সঙ্গে একঘেয়েমি দূর করতে সহায়তা করে। এ ছাড়া অধিক শক্তিসহ দেয় কাজে মনোযোগ।তাই ভালো একটা নাস্তার জন্য সকালে উঠুন। ২. ব্যায়াম : সকালে ঘুম থেকে ওঠার আরেকটি সুফল বয়ে আনবে ব্যায়াম। সেই সঙ্গে রাতের ঘুমও গভীর করবে ব্যায়াম।যারা সকালে উঠে ব্যায়াম করেন তারা সারাদিন ঝরঝরে থাকেন এবং রাতেও গভীর ঘুম উপভোগ করেন। ৩. আরামে কাজ সারা : সময়মতো উঠে পড়লে আরামে কাজগুলো শেষ করতে পারবেন।অফিসে যাওয়ার সময়ও থাকবে যথেষ্ট। ফলে সেখানে সময়মতো পৌঁছতেও পেরেশানি হতে হবে না আপনাকে। ৪. আরো উৎপাদনশীল : সকালে ঘুম থেকে উঠলে আপনার কাজের গতি বেড়ে যাবে। আপনি হয়ে উঠবেন আরো উৎপাদনশীল। তাই দুপুরের লাঞ্চের সময় দেখবেন আপনি যথেষ্ট কাজ সেরে ফেলেছেন এবং তা দেখেই আপনার উৎসাহ-উদ্দীপনা বেড়ে যাবে। তাই ঘুম থেকে সকালে উঠুন।
সকালে উঠার উপকারিতা অনেক আছে কয়েকটি নিচে দেয়া হল: ১।আপনি সবার চেয়ে এগিয়ে থাকবেন যে কোন কাজে। ২।আপনার শরীর সবসময় সবল থাকবে। ৩।আপনি নিজেকে গুছিয়ে রাখার অনেক সময় পাবেন যা অন্যের অনেক দেরি হয়ে যাবে। ৪।যারা ছাত্র তাদের জন্য অনেক উপযোগী হল সকাল কারন তারা এ সময়টা পড়াশুনায় মন বসাতে পারবে দ্রুত যা অন্যসময় পারা যাবে না।
খুব ভোরে যখন ফজরের আজান হয় প্রকৃতির পরিবেশ তখন অসম্ভব পরিমান বিশুদ্ধ থাকে। একজন মানুষ যদি নিয়মিত সুবহে সাদিক এর সময় ঘুম থেকে ঊঠে ফজরের নামাজ আদায় করে। জোহরের নামাজের আগে পর্যন্ত তার জন্য আল্লাহর ফেরেসতারা দোয়া করতে থাকে। তাছাড়া সুবহে সাদিক এর সময় পকৃতির যে পরিবেশ এবং আবহাওয়া থাকে তা মানুষের স্বাস্থের জন্য খুবই ভালো। তাই আমাদের সকলের ঈ উচিৎ খুব ভোরে ঘুম থেকে ঊঠা এবং ফজরের নামাজ পড়া।
সকালে ঘুম থেকে ওঠার উপকারিতা : ১. পড়াশুনা: ভোরে ঘুম থেকে উঠলে আপনি ফ্রেস মনে পড়াশুনায় সময় দিতে পারবেন। এতে কোনো কিছু অন্য সময়ের থেকে তাড়াতাড়ি মুখস্ত হয়। তাছাড়া, ছোট ভাই-বোনেরা আপনার পড়াশুনায় ব্যাঘাত ঘটাবে না। ২. বিশুদ্ধ বায়ু: সারাদিন মানুষের চলাফেরা ও কলকারখানা খুলা থাকে বলে দিনে বাতাসে প্রচুর রোগ-জীবানু থাকে। কিন্তু ভোরের বায়ু থাকে বিশুদ্ধ। ফলে আপনি নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় বিশুদ্ধ বায়ু শরীরের ভেতরে নিতে পারছেন। ৩. সময়মতো কাজ করা : কর্মজীবীদের জন্যও কিছু উপকারিতা আছে। প্রায় সব অফিসই শুরু হয় ৯ টায়। সুতরাং বলাই বাহুল্য যে আপনাকে ৮টায় বাসা থেকে বের হতে হয়, অনেককে এরও আগে। আপনি যদি ৬ টার আগেই দিন শুরু করতে পারেন, তাহলে সারাদিনে নিজের কাজগুলো গুছিয়ে নিতে পারবেন। প্রয়োজনীয় প্ল্যান তো তৈরি করতে পারবেনই, সাথে জমে থাকা কিছু কাজ থাকলেও চটপট শেষ করে নিতে পারবেন। ৪. সহজ ও দ্রুত কাজ করা : সকালে আমাদের মস্তিষ্ক থাকে সবচেয়ে বেশি কর্মক্ষম। সারা রাত ঘুমানোর পর সকালে কোন ক্লান্তি, অবসাদ থাকে না মস্তিষ্কে। ফলে সকাল বেলাটা যে কেনো কিছু সহজ এবং দ্রুত শেখার উপযুক্ত সময়। ভালো ফলাফল করতে চান কিংবা খুব কঠিন কিছু শিখতে চান? সকাল বেলাটাই আপনার জন্য আদর্শ। এমনকি অফিস কিংবা অন্য যে কোন কাজও যদি সকাল বেলা করতে শুরু করেন, দেখবেন খুব সহজেই হয়ে যাবে। ৫. আরো কর্মক্ষম হওয়া : সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা আপনাকে পর্যাপ্ত সময় দেয় ব্যায়াম করার। খুব ভারী ব্যায়াম না করলেও যদি মুক্ত বাতাসে কিছুক্ষণ হেঁটে আসেন, তবুও দেখবেন মনটাই বদলে গেছে। প্রচুর বিশুদ্ধ অক্সিজেন শরীরের প্রবেশ করায় স্বাস্থ্য তো ভালো হবেই, সাথে সকাল সকাল সূর্যের আলো আপনার মুডকেও বদলে দেবে। মন হয়ে উঠবে ফুরফুরে আর শরীর হয়ে উঠবে আরও কর্মক্ষম। ৬. ওজন কমা ও শারীরিক ফিটনেস থাকা : যারা সময়ের অভাবে রোজ নাস্তা করার পর্বকে বাদ দিয়ে দেন, তাঁদের জন্য সকালে উঠে পড়াটা একটি দারুণ সমাধান। সকালে ভরপেট নাস্তা শরীরের জন্য একান্ত প্রয়োজন, এটা শরীরকে ফিট ও ওজন কমাতে সহায়তা করে। সকালে নাস্তা বাদ দলে মস্তিস্কেরও ক্ষতি হয়, কথাটা মনে রাখুন ৭. কাজ করতে সময় কম ব্যয় : সকাল ৬টার আগে ঘুম থেকে উঠতে পারলে দিনে কখনোই কোন কাজে লেট হবেন না আপনি বা কোন শিডিউল আপনার মিস হবে না। কেননা সব কাজের জন্যই পর্যাপ্ত সময় থাকবে আপনার। এবং দিনের শুরুতেই নিজের কাজের শিডিউল তৈরি করে নেয়ার সুযোগ পাবেন। ৮. মস্তিষ্ক ও মন থাকবে শান্ত : পৃথিবীর সমস্ত সফল ও ধনী ব্যক্তিরা সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠেন সেটাই তাঁদের সফলতার রহস্য। কারণ সকালে আলস্য পরিহার করে ঘুম থেকে উঠে যাওয়াটা সারাদিন তাদের এগিয়ে রাখে দুই কদম। সময় তো নিয়ন্ত্রণে থাকেই, তাঁদের মন থাকে শান্ত, মস্তিষ্ক থাকে প্রখর এবং নিজের সকল কাজে সহজেই সফলতা অর্জন করতে পারেন তারা। ধন্যবাদ
খুব সকালে ঘুম থেকে উঠার ভালো উপকার হচ্ছে ব্রেনকে ক্লিয়ার রাখা, মনকে উৎফুল্ল এবং সতেজ রাখে চিন্তা মুক্ত রাখা ..... দিনের বাকি সময়ে ফুরফুরে মেজাজে থাকা সকালে পড়তে বসলে পড়ালেখায় ভালো মনযোগী আর দ্রুত মুখস্ত রাখা যায় ব্রেন ফ্রেশ থাকে বলে। আর সকালের সূর্যের প্রথম রোদ শরীর এর জন্য খুব উপকার এবং সকালে উঠার আরোও একটি উপকার হচ্ছে সাস্থ্য ঠিক থাকে।
ভোরবেলা আমাদের মস্তিষ্ক সব চাইতে দ্রুত ও সঠিক কাজ করতে পারে ভোরবেলা পরিবেশ অনেক বেশি শান্তিময় থাকে। আশেপাশের শব্দ কম থাকে। সব চাইতে বড় কথা হচ্ছে এইসময়ে আমাদের মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নেয়ার মতো জিনিস কম ঘটে থাকে। এবং হাতে সময় থাকে বলে তাড়াহুড়ো করে কিছু করতে হয় না। এর ফলে আপনি খুব শান্তিপূর্ণ ভাবে নিজের কাজ সম্পর্কে চিন্তা ভাবনা করতে পারেন। মাথায় নানা ধরণের আইডিয়া আসবে। কিন্তু যখন আপনি দেরি করে ঘুম থেকে উঠবেন তখন আপনার কাছে সব কিছুর জন্য কম সময় হাতে থাকবে। যার ফলে তাড়াহুড়োর সৃষ্টি হবে, যা আপনার মস্তিষ্ককে সঠিকভাবে চিন্তা করতে দেবে না একেব ভোরবেলা দেহের এনার্জি সব চাইতে বেশি থাকে সুতরাং কাজ বেশি হয় পুরো রাত ভালো করে ঘুমানোর পর ভোরে আমাদের এনার্জি পুরো দিনের ও রাতের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ থাকে। যদি দেরি করে ঘুম থেকে ওঠেন তবে লক্ষ্য করে দেখবেন আপনি ভেতরে ভেতরে অনেক দুর্বলতা অনুভব করবেন। এই দুর্বলতা আপনার কাজের গতি অনেকাংশে কমিয়ে দেবে। যার প্রভাব অবশ্যই আপনার জীবনের ওপর পড়বে।