2 Answers

 কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে মাতা-পিতা, অভিভাবক, শিক্ষক, রাজনীতিক সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে। পরিবার, বিদ্যালয়, সমাজ, সরকার ও রাষ্ট্র সবাইকে কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে সংবেদনশীল ও সহানুভূতিশীল হতে হবে। সুসহ কিশোর - মানস ও মনন গঠনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে স্ব স্ব সহান থেকে সমন্বিত প্রয়াস চালাতে হবে। ধর্মীয় নৈতিকতা কিশোর মনে পোত্তুভাবে প্রোথিত হতে হবে। এ লক্ষ্যে শৈশবে ধর্মের বিশুদ্ধ চর্চা ও যথাযথ অনুশীলন করতে হবে। মসজিদের ইমাম, মন্দিরের ঠাকুর, গির্জার ফাদার, বৌদ্ধ ভিক্ষুগণ এ ক্ষেত্রে গুরতত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। যে কোন সমস্যার ওপর তাদের কথা ধৈর্য, আমতরিকতা ও গুরতত্বের সাথে মন দিয়ে শুনতে হবে এবং সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। তাদের সাথে এমনভাবে কথা বলতে হবে যাতে সে মনে করে তার কাজে বড়দের সমর্থন ও সহানুভূতি আছে। কথায় কথায় তাদের সাথে ঝগড়া বা তাঁকে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

সর্বোপরি সমাজের সকল সতরের অভিভাবক ও বয়োজ্যেষ্ঠগণকে সর্বক্ষেত্রে কিশোর-কিশোরীদের সামনে কথা ও কাজের সমন্বয়ে আদর্শ সহাপন করতে হবে।

2695 views Answered

কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।কি জন্য একজন কিশোর আপরাধী হয় বা খারাপ কাজে লিপ্ত হয় তার কারণ খোজে বের করে সে অনুযায়ী ব্যবস্হা গ্রহণ করতে হবে।

2695 views Answered

Related Questions

Next steps