3 Answers

সবার  কাছে ভালো থাকার কিছু কৌশল-


১. সবার ভালোবাসার মানুষ হয়ে উঠতে গেলে থাকতে হবে ইচ্ছাশক্তি। এই ইচ্ছাশক্তি আপনার জীবনযাত্রার মানে উৎকর্ষ বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে। একেবারে সাধু ব্যক্তি হওয়ার চেষ্টা না করাই ভালো। আপনি ইতিবাচক ব্যক্তি হয়ে উঠবেন। তার মানে এই নয় যে, আপনার কোনো নেতিবাচক আবেগ থাকতে পারে না কিংবা কখনোই নেতিবাচক পরিস্থিতির শিকার আপনি হবেন না। কোনো কাজে ব্যর্থ হলে হতাশাগ্রস্ত হবেন না। বিপথের দিকে ধাবিত হওয়ার দরকার নাই।


২. একজন মনোযোগী পর্যবেক্ষক হোন। আপনার চারপাশে খেয়াল রাখুন। কীভাবে আপনি আরও বেশি ইতিবাচক উপাদান আয়ত্ত করতে পারবেন

জীবনের কর্মকাণ্ডের প্রতি মনোযোগী হোন। এটা আপনার দৃষ্টিভঙ্গিকে বেশি ইতিবাচক করে তুলবে।


৩. ভাষায় মার্জিত ও ইতিবাচক শব্দ ব্যবহার করতে হবে। সহকর্মীদের সঙ্গে মিশতে হবে কাছাকাছি থেকে এবং বন্ধুত্বপূর্ণভাবে। শারীরিক উপস্থাপনা সব সময় পরিশীলিত থাকবে। আপনার আশপাশে আনন্দময় কিছু ঘটলে চেহারায় আনন্দ ও সুখী সুখী ভাব নিয়ে আসুন। হাসির কিছু ঘটলে মুখে হাসি নিয়ে আসুন।


৪. একটি মাত্র পথেই যদি আপনি সবার আস্থাভাজন হয়ে উঠতে চান, সেক্ষেত্রে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ঘটনাই ঘটতে পারে। আপনি যদি বন্ধুমহলে বেশির ভাগ সময়ই রূঢ় আচরণ করেন তাহলে মনে রাখবেন, আপনাকে একই ধরনের আচরণের মুখোমুখি হতে হবে। আপনার হৃদয়ে ইতিবাচকতা যদি গভীরভাবে থাকে তাহলে আপনার বন্ধুমহল হবে ইতিবাচক, কর্মোদ্যোগী, হাসিখুশি ও প্রাঞ্জল।


৫. সব ধরনের অলসতাকে নিজের থেকে দূরে রাখুন। অন্যদের সঙ্গে থাকুন আর একা থাকুন, ইতিবাচক কাজের মধ্যে থাকবেন। জোক বলুন, মজার ঘটনা শেয়ার করুন, খেলাধুলায় অংশ নিন। কাজ শেষে হাঁটতে বের হোন। একটা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করুন। প্রাত্যহিক জীবন থেকে আপনি আঘাত পেতে পারেন। এটা মেনে নিতে আপনাকে তৈরি থাকতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আপনাকে প্রতিদিন ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চালাতে অথবা পার্ক করতে হতে পারে। যখন আপনি এ ব্যাপারগুলোতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন তখন আর কোনো সমস্যাই হবে না।


৬. একটা সময় নির্ধারণ করে দিনের সব কাজকে মনে করুন, এখান থেকে ভালো কাজগুলো আলাদা করে ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করুন। এগুলো খুব সামান্য ব্যাপারও হতে পারে। যেমন কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার উদ্দেশ্যে আপনার বাসে আরোহণ করা, আপনার মায়ের হাতের তৈরি সুস্বাদু নাশতা, সময়মতো বিল পরিশোধ করা ইত্যাদি। এতে চোখের সামনে নিজের করা ছোট একটি ইতিবাচক কাজ দেখতে পারবেন। যখন আপনি আপনার লেখা ডায়েরিটি পড়বেন তখন নিজেই নিজেকে দৃঢ়ভাবে সুখী ঘোষণা করবেন।


৭. আশপাশের সবাইকে ধন্যবাদ দিন। বাবা-মা থেকে শুরু করে বন্ধু মহলের সবাইকে ধন্যবাদ দিন। আপনি যে পরিশ্রম করছেন সে জন্য নিজেকেও ধন্যবাদ দিন। বারবার 'থ্যাংক ইউ' বললে আপনি হয়ে উঠবেন বিনয়ী। বিনয়ী হলে আর নিরাশ হতে হবে না।

3115 views

জেনে নিন ১৪টি অভ্যাস যার মাধ্যমে আপনিও সবার কাছে প্রিয় ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠবেন। ১. সবার প্রিয় ব্যক্তিত্বরা নিজেদের মধ্যে ইতিবাচক মানসিক আবেদন গড়ে তোলেন এবং এর প্রদর্শন করেন। এই ইতিবাচক আচরণ সবার কাছে তাদেরকে মুহূর্তেই প্রিয় করে তোলে। ২. এ ধরনের মানুষরা সব সময় সাবধাণতার সঙ্গে এবং বন্ধুসুলভ কণ্ঠে কথা বলেন। তাদের এই বৈশিষ্ট্য সবাইকে বন্ধুত্বপূর্ণ করে তোলে। ৩. তারা সবচেয়ে ভালো শ্রোতা। কেউ কিছু বলার সময় খুব মনোযোগের সঙ্গে তাদের বক্তব্য শোনেন এ ধরনের মানুষরা। ৪. যেকোনো পরিস্থিতিতে তারা তাদের ধৈর্য হারান না। হিল বলেন, তারা বোঝেন যে, অনেক ক্ষেত্রেই নিস্তব্ধতা উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের চেয়ে অনেক ভালো। ৫. তারা সময়ের সঠিক ব্যবহার করেন এবং কথা বলার ক্ষেত্রেও এই বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। সঠিক সময়ে সঠিক কথাটা বলার মাধ্যমে বড় ধরনের সুবিধা আদায় করা যায় এবং মানুষ তা পছন্দ করেন। ৬. তারা উদার হন। নিজের ব্যক্তিত্ব ও মনের চারদিকে পর্দায় ঢেকে রাখেন না তারা। এতে করে তাদের মানসিকতা আরো বেশি পরিপক্কতা লাভ করে। এই অভ্যাস তাদের আরো সামনে এগিয়ে নিতে সহায়তা করে। ৭. অন্যের সঙ্গে কথা বলার সময় তাদের মুখে মিষ্টি হাসি থাকে। হিল বলেন, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্টের মিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছিল তার হাসি। এই হাসি দিয়ে তিনি অনেক কাঠিন্যকে তরল করেছেন। ৮. তারা বোঝেন যে নিজের সব চিন্তা-ভাবনা প্রকাশের প্রয়োজন নেই। সব সময় নিজের চিন্তা অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করেন না। ৯. যোগাযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে তারা গড়িমসি করেন না। যেকোনো প্রয়োজনে যেকোনো মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টায় আন্তরিক থাকেন। ১০. তারা প্রতিদিন অন্তত একটি ভালো কাজ করার চেষ্টা করেন। এর বিনিময়ে কিছু পাওয়ার চেষ্টা থাকে না তাদের। অন্যের জন্য হলেও তারা এ কাজ থেকে বিরত হন না। ১১. ব্যর্থ হলে সেখান থেকে শিক্ষা অর্জনের চেষ্টা করেন পছন্দনীয় মানুষরা। যা পেয়েছেন তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করেন। ব্যর্থতায় হতাশ হয়ে কখনো অসাদচরণ করেন না। ১২. যখন কারো সঙ্গে কথা বলেন তখন এমনভাবে বলেন যেন তারা পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছেন। তাদের এই ভঙ্গিতে অপরজন ব্যাপক তুষ্ট থাকেন তার ওপর। ১৩. অন্যের ভালো বিষয়ের প্রশংসা করেন এ ধরনের মানুষরা। ১৪. এমন ব্যক্তিত্বের মানুষরা অন্যের কাছে পছন্দনীয় হওয়ার চেষ্টা করেন না। মূলত তাদের আচরণে যে দায়িত্বশীলতা প্রকাশ পায় এবং ব্যক্তিত্বের যে চিত্র ফুটে ওঠে তাতে করে তারা এমনিতেই সবার পছন্দের কেন্দ্রে চলে আসেন। আর এভাবে তাদের পছন্দের ব্যক্তিত্ব মানুষের কাছে আরো পছন্দনীয় হয়ে ওঠে। সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার

3115 views

সবার কাছে ভালো থাকতে হলে: ১. সবার প্রিয় ব্যক্তিত্বরা নিজেদের মধ্যে ইতিবাচক মানসিক আবেদন গড়ে তোলেন এবং এর প্রদর্শন করেন। এই ইতিবাচক আচরণ সবার কাছে তাদেরকে মুহূর্তেই প্রিয় করে তোলে। ২. এ ধরনের মানুষরা সব সময় সাবধাণতার সঙ্গে এবং বন্ধুসুলভ কণ্ঠে কথা বলেন। তাদের এই বৈশিষ্ট্য সবাইকে বন্ধুত্বপূর্ণ করে তোলে। ৩. তারা সবচেয়ে ভালো শ্রোতা। কেউ কিছু বলার সময় খুব মনোযোগের সঙ্গে তাদের বক্তব্য শোনেন এ ধরনের মানুষরা। ৪. যেকোনো পরিস্থিতিতে তারা তাদের ধৈর্য হারান না। হিল বলেন, তারা বোঝেন যে, অনেক ক্ষেত্রেই নিস্তব্ধতা উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের চেয়ে অনেক ভালো। ৫. তারা সময়ের সঠিক ব্যবহার করেন এবং কথা বলার ক্ষেত্রেও এই বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। সঠিক সময়ে সঠিক কথাটা বলার মাধ্যমে বড় ধরনের সুবিধা আদায় করা যায় এবং মানুষ তা পছন্দ করেন। ৬. তারা উদার হন। নিজের ব্যক্তিত্ব ও মনের চারদিকে পর্দায় ঢেকে রাখেন না তারা। এতে করে তাদের মানসিকতা আরো বেশি পরিপক্কতা লাভ করে। এই অভ্যাস তাদের আরো সামনে এগিয়ে নিতে সহায়তা করে। ৭. অন্যের সঙ্গে কথা বলার সময় তাদের মুখে মিষ্টি হাসি থাকে। হিল বলেন, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্টের মিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছিল তার হাসি। এই হাসি দিয়ে তিনি অনেক কাঠিন্যকে তরল করেছেন। ৮. তারা বোঝেন যে নিজের সব চিন্তা-ভাবনা প্রকাশের প্রয়োজন নেই। সব সময় নিজের চিন্তা অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করেন না। ৯. যোগাযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে তারা গড়িমসি করেন না। যেকোনো প্রয়োজনে যেকোনো মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টায় আন্তরিক থাকেন। ১০. তারা প্রতিদিন অন্তত একটি ভালো কাজ করার চেষ্টা করেন। এর বিনিময়ে কিছু পাওয়ার চেষ্টা থাকে না তাদের। অন্যের জন্য হলেও তারা এ কাজ থেকে বিরত হন না। ১১. ব্যর্থ হলে সেখান থেকে শিক্ষা অর্জনের চেষ্টা করেন পছন্দনীয় মানুষরা। যা পেয়েছেন তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করেন। ব্যর্থতায় হতাশ হয়ে কখনো অসাদচরণ করেন না। ১২. যখন কারো সঙ্গে কথা বলেন তখন এমনভাবে বলেন যেন তারা পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছেন। তাদের এই ভঙ্গিতে অপরজন ব্যাপক তুষ্ট থাকেন তার ওপর। ১৩. অন্যের ভালো বিষয়ের প্রশংসা করেন এ ধরনের মানুষরা। ১৪. এমন ব্যক্তিত্বের মানুষরা অন্যের কাছে পছন্দনীয় হওয়ার চেষ্টা করেন না। মূলত তাদের আচরণে যে দায়িত্বশীলতা প্রকাশ পায় এবং ব্যক্তিত্বের যে চিত্র ফুটে ওঠে তাতে করে তারা এমনিতেই সবার পছন্দের কেন্দ্রে চলে আসেন। আর এভাবে তাদের পছন্দের ব্যক্তিত্ব মানুষের কাছে আরো পছন্দনীয় হয়ে ওঠে।

3115 views

Related Questions