2 Answers
ঘুমানোর জন্য আরামদায়ক বিছানাপত্র নিতে হবে।ঘুমানোর পূর্বে কখনই মোবাইল,কম্পিউটার,ল্যাপটপ,টিভি দেখা যাবে না।আর দুধ+চিনি মিশিয়ে খেলে ঘুম ভাল হবে।
সম্নানিত ভাই, আসসালামু আলাইকুম। আসলে সর্ব প্রথম কিছু কাজ আপনাকে পরিহার করতে হবে যেমন ___ ঘুমানোর আগে ফেইসবুক লগইন না করা তাতে আপনি চিন্তিত হতে পারেন যার কারন আপনার প্রিয় মানুষটি অন্য কারও ছিবিতে উত্তেজনা মুলক লাইক / কমেন্ট করা। চিন্তিত মস্তিক্সে ঘুম ভাল হয় না।ঘুমোতে যাওয়ার আগে পর্ন ছবি না দেখা এতে উত্তেজিত হয়ে অন্য কিছু করতে হতে পারে আপনাকে, তারপর ক্লান্ত হয়ে ঘুমোতে দেরি হতে পারে। তাছাড়া বিস্তারিত ____ নিম্নে দেওয়া হল : কষ্ট করে পরে নিবেন। ১ম পব্দতি : রাতে ভালো ঘুম না হলে শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। পুরো দিনটাই বরবাদ হয়ে যায়। তবে খাবার খেয়েই এই সমস্যা থেকে বের হওয়া যায়। কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে রাতে ভালো ঘুম আসে। আসুন জেনে নেই ভালো ঘুমের জন্য কি খাবেন। ১. কলা : গবেষণায় দেখা গেছে রাতে ঘুমের আগে কলা খেলে ভালো ঘুম হয়। এমনকি রাতে হেঁচকি ও দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে না।কলায় আছে ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, মিনারেল যেটা শরীরকে প্রশান্ত করে। ফলে রাতে ভালো ঘুম হয়।তাই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে স্লিপিং পিল না খেয়ে একটি কলা খান। ২. চেরি : খাদ্য ও পুষ্টি গবেষকগণ গবেষণায় দেখেছেন চেরিতে আছে মেলাটোনিন। যা কিনা ঘুম আসতে সাহায্য করে। যাদের অনিদ্রা রোগ রয়েছে তাদের জন্য আদর্শ খাবার চেরি। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে টপাটপ গোটাকয় চেরি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। ৩. তিসির বীজ : তিসির বীজে রয়েছে উচ্চমাত্রার সেরোটোনিন ও ওমেগা-৩ যা কিনা ঘুম উদ্রেককারী। ওমেগা-৩ মানসিক চাপ ও চিন্তামুক্ত করে ভালো ঘুমাতে সাহায্য করে। যাদের অনিদ্রা আছে তারা রাতে ঘুমানোর আগে তিসির বীজ দিয়ে সরবত বানিয়ে খেতে পারেন। ৪. দুগ্ধজাত খাবার : গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের ক্যালসিয়ামের ঘাটতি রয়েছে তাদের ঘুমের সমস্যা হয়। তাই রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস দুধ কিংবা এক কাপ দই খেয়ে ঘুমাতে যান। ৫. যব: যব ট্রাইপোটোফ্যানের ভালো উৎস। ট্রাইপোটোফ্যান শরীরকে প্রশান্ত করে ভালো ঘুম আসতে সাহায্য করে। তাই রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে এক বাটি যব খান। এরপর নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়ুন। এছাড়াও করনীয়: ৬. খালিপেটে কিংবা খুব বেশি ভরাপেটে ঘুমাতে যাবেন না। ৭. ঘুমের আদর্শ পরিবেশ- শব্দহীন, শীতল ও অন্ধকারে ঘুমানোর চেষ্টা করুন। ২য় পব্দতি : ভালো ঘুমের জন্য সহজ যত নিয়ম প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার চেষ্টা করুন। ছুটির দিনগুলোতে যদিও অলসতা এসে ভর করে তবুও নিয়ম মেনে ঘুমান। ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। গবেষকেরা পরামর্শ দেন, টানা এক সপ্তাহ ধরে আট ঘণ্টা করে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন এবং নিয়মিত চালিয়ে যেতে পারলে ভালো ঘুমের অভ্যাস তৈরি হবে। প্রয়োজনে সকাল সকাল বিছানায় যেতে পারেন এবং সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠতে পারেন। যাঁদের ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়, তাঁরা সকাল সকাল ঘুমাতে যান। বেলা দুইটার পর কফি পান বাদ দিন অনেকেই বিকাল হলে ক্লান্তি অনুভব করেন এবং ক্লান্তি দূর করতে চা-কফি পান করেন। সাময়িক ক্লান্তি দূর করলেও ঘুমের সমস্যার কারণ হতে পারে অতিরিক্ত চা বা কফি। রাতে ল্যাপটপ, মোবাইল থেকে বিরতি নিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার এক ঘণ্টা আগে ল্যাপটপ, মোবাইলের মতো যন্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করে দিন। রাত জেগে ট্যাব, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, মোবাইলে সময় কাটালে তা শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে এবং ঘুম নষ্টের কারণ হতে পারে। বিছানা হোক শুধু ঘুমের বিছানা শুধু ঘুমের জন্যই নির্দিষ্ট করে রাখুন। বিছানায় বসে টিভি দেখা, আড্ডা দেওয়া, খাবার খাওয়া, বুকে ভর দিয়ে ল্যাপটপ ব্যবহার বন্ধ করুন। পেটে থাক অল্প কিছু খাবার খালি পেটে কখনো শুতে যাবেন না। আবার রাতে গুরুপাকও খাবেন না। ভরা পেটে শুতে যাওয়া ঠিক নয়। ঘুমাতে যাওয়ার বেশ কিছু আগেই রাতের খাবার খেয়ে নিন। ঘুমানোর আগে এক গ্লাস দুধ শোয়ার আগে এক গ্লাস দুধ খেতে পারেন। দুধে থাকে ট্রিপটোফ্যান যা আপনাকে ঘুমাতে সাহায্য করবে। দুধ খুব বেশি গরম না হওয়া ভালো। শরীরের ক্লান্তি ঝেড়ে ঘুমাতে যান রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে গোসল করে নিতে পারেন। যদি গোসল করা সম্ভব না হয় ঘাড়, মুখ, হাত-পা পানি নিয়ে ধুয়ে মুছে নিতে পারেন। এতে ক্লান্তি দূর হতে পারে। ঘুমাতে যাওয়ার সময় সারা দিনের ক্লান্তি, উত্তেজনার কারণগুলো মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। অসময়ে ঘুম নয় অনেকেই ঘুমের জন্য সময়-অসময় মেনে চলেন না বলে রাতের ঘুম ঠিকমতো হয় না। দুপুরে লম্বা সময় ঘুমাবেন না। বিশেষজ্ঞরা বলেন, দুপুরের ঘুম আপনার শুধু কর্মক্ষমতাই কমাতে পারে, আপনার রাতের ঘুমও নষ্ট করে। ঘুমকে হ্যাঁ ওষুধকে না রাতে ঘুম আসলে অন্যচিন্তা বাদ দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে সিগারেট, তামাক, চা, কফি না খাওয়াই ভালো। দুই-এক দিনের ঘুম না হওয়াতেই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হবেন না। ঘুম না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঘুমের ওষুধ সেবন করবেন না। আমার ফেইসবুক লিংক:- facebook.com/md.emranhossinswponmollik