7 Answers
ঝকঝকে সাদা দাঁতের মুক্তো ঝরা হাসি কে না চায় বলুন? সুন্দর দাঁতের মিষ্টি হাসি যে কারো মন কেড়ে নিতে পারে নিমিষেই। দাঁত সুন্দর না হলে মানুষের আত্মবিশ্বাসও কমে যায় অনেকখানি। হলদে দাঁত বের করে সহজে কেউ হাসতে চায় না। আর তাই হাসি পেলেও মুখ চেপে চেহারাটাকে কিম্ভুতকিমাকার বানিয়ে ফেলেন অনেকেই। পাছে লোকে দাঁত দেখে ফেলে তাই মুখে হাত দিয়েও হাসেন কেউ কেউ। অসুন্দর দাঁতের সমাধান তো আর দাঁত ঢাকা নয়। ঝকঝকে দাগমুক্ত দাঁত পেতে চাইলে দিনে দুইবার দাঁত ব্রাশ করার পাশাপাশি প্রয়োজন বিশেষ যত্নের। ডেন্টিস্টের কাছে না গিয়েও দাঁত সাদা ঝকঝকে করে তোলা সম্ভব। ঘরেই বিশেষ যত্ন নিয়ে দাঁতের হলুদ ভাব দূর করে ফেলা যায় সহজেই। আর দাঁতের হলুদ ভাব দূর করতে সহায়তা করবে লেবুর রস। জেনে নিন দাঁতের হলদে ভাব দূর করার প্রক্রিয়াটি। *একটি কাপে লেবুর রস চিপে নিন। এরপর সেটাতে কিছু পানি মিশিয়ে নিন। *দাঁত ব্রাশ করার পর লেবুর রস মেশানো পানি দাঁতে লাগিয়ে আঙ্গুল দিয়ে ঘষে কুলি করে নিন। *এভাবে কয়েকবার করলেই মধ্যেই দাঁত হয়ে যাবে ঝকঝকে সাদা। *এছাড়াও লেবুর খোসা অথবা লেবুর খোসার শুকনো গুড়া দিয়ে দাঁত ঘষে নিতে পারেন। *কুলি করার সময় ঠান্ডা পানি দিয়ে করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। সতর্কীকরণ- লেবু দিয়ে দাঁত পরিষ্কার কিন্তু প্রতিদিন বা নিয়মিত করা যাবে না। এই প্রক্রিয়ায় চট জলদি দাঁত সাদা করা যায় ঠিকই। কিন্তু প্রতিনিয়ত করলে দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
কলার খোসায় আছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান। বিশেষ করে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম আর ম্যাঙ্গানিজ। আর এরাই হচ্ছে দাঁতকে সাদা করে তুলবার প্রধান হাতিয়ার। এছাড়াও কলার খোসায় আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি, যারা কিনা দাঁতকে মজবুত করে তোলার পাশাপাশি খনিজ উপাদান গুলো শোষণ করতেও সহায়তা করে। কলার খোসা নিঃসন্দেহে সাদা করে তুলবে আপনার দাঁত, তবে ব্যবহার করতে হবে সঠিক পদ্ধতিতে। এবং অবশ্যই নিয়ম মেনে। জেনে নিন বিস্তারিত পদ্ধতি।
- - প্রথমেই বেছে নিন সঠিক কলা। দাঁত সাদা করার জন্য ঠিক ভাবে পাকা কলা হওয়া জরুরী। খুব বেশি পাকাও নয়, খুব বেশি কাঁচাও নয়। এমন কলা বেছে নিন যারা কিনা এখন নিচের দিকে একটু একটু সবুজ। কেননা এই ধরনের কলায় পটাশিয়াম থাকে উচ্চ মাত্রায়। আর এই পটাশিয়ামই দাঁত সাদা করার দায়িত্ব নেবে।
- - কলা উলটো করে ছিলে নিন। হ্যাঁ, যেভাবে আপনি ছিলে থাকেন কলা ঠিক তার উলটো দিক থেকে ছিলে নিন। দেখবেন যে কলার গায়ে লম্বা লম্বা সুতার মতন আঁশ থাকে। উলটো করে ছিলে নিয়ে এই আঁশ গুলো থাকবে খোসার সাথেই।
- - খোসা থেকে চারকোনা করে দুটি টুকরো কেটে নিন। আপনার সুবিধা মতন আকারেই কেটে নিন। চাইলে এই কাটা খোসা ফ্রিজেও সংরক্ষণ করতে পারেন।
- - এবার সকালে দাঁত ব্রাশ করবার পূর্বে এই কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে আপনার দাঁত খুব ভাল করে ঘষুন। প্রথম টুকরোটি দিয়ে পুরো এক মিনিট ঘষুন। তারপর সেটা বদলে দ্বিতীয় টুকরোটি দিয়ে আরও এক মিনিট। অর্থাৎ পুরো দুই মিনিট দাঁতকে ঘষুন। দাঁতের প্রত্যেকটি অংশে যেন পৌছায় এমন ভাবে ঘষতে হবে।
- - দাঁত ঘষা হলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট করতে পারলে ভালো। এই সময়ে পানি বা অন্য কিছু খাবেন না, কিংবা কুলি করবেন না। সময়টা পেরিয়ে গেলে আপনার নিয়মিত ব্যবহারের টুথ পেস্ট দিয়ে দাঁত মেজে নিন।
এবার আয়নায় তাকিয়ে দেখুন তো, লাগছে না দাঁত একটু বেশি পরিষ্কার? ৪/৫ দিন এমন করার পরেই দেখবেন আগের চাইতে অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে আপনার দাঁত। হলদে ভাব যেমন কমে গেছে, তেমনি কালো ছোপটাও অনেকটাই সরে গেছে। যারা ধূমপান বা মদ্যপান করেন, তাদের ক্ষেত্রেও কাজ করবে এই পদ্ধতি। তবে ব্যবহার করতে হবে বেশ দীর্ঘদিন। এবং সঠিক নিয়েম মেনে।
অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে-
- এটা কোনও ম্যাজিক নয়। তাই ভালো ফল পেতে নিয়ম মেনে ব্যবহার করতে হবে।
- অবশ্যই কমপক্ষে ২ মিনিট ঘষতে হবে। এই সময়টা জরুরি। বেশি ঘষলে আরও ভালো।
- ঘষার পর অবশ্যই সময় দিতে হবে খনিজ গুলো দাঁতে শোষিত হবার।
- যাদের দাঁত মদ্যপান, ধূমপান বা অসুস্থতার কারণে হলুদ তাদের ক্ষেত্রে একটু সময় লাগবে।
- কলার খোসায় প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। তাই অবশ্যই দাঁত খুব ভালভাবে মেজে নিতে হবে। এবং এই কারণেই দিনে ১ বারের বেশি ব্যবহার করা যাবে না।
- যাদের দাঁত খুব একটা বেশি হলুদ নয়, তারা সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।
অনেকেই বলবেন যে কাজ হয় না, ভুয়া ইত্যাদি। কিন্তু মোদ্দা কথাটা হলো হয় তারা চেষ্টা না করেই বলেছেন, কিংবা চেষ্টা করলেও সঠিক ভাবে করেননি। ফল পাবার জন্য অবশ্যই নিয়ম মেনে প্রয়োগ করতে হবে। আর তাই অন্য লোকের কথা শোনা বাদ দিয়ে নিজেই চেষ্টা করে দেখুন না!
দাঁতকে ঝকঝকে সুন্দর করার জন্য কত কিছুই না করেন আপনি। দামী টুথপেস্ট থেকে শুরু করে ডেন্টিস্টের কাছে দামী ট্রিটমেন্ট, সবই কেবল হলদে দাঁতগুলোকে সাদা করার জন্য। না, আজ থেকে আর কিছুই করতে হবে না, সাধারণ তেজপাতা দিয়েই প্রাকৃতিক উপায়ে সুন্দর করে নিতে পারবেন আপনি আপনার দাঁতগুলো? কীভাবে? চলুন, জেনে নিন দাঁত সুন্দর করতে তেজপাতা ব্যবহারের প্রণালি। দাঁত সাদা করতে তেজপাতা দারুণ উপকারী, তবে এই তেজপাতাকে মেশাতে হবে কোন টক ফলের সাথে। যেমন ধরুন কমলা বা লেবুর খোসা। যা যা লাগবে তেজপাতা ৪টি (কাঁচা বা শুকনো সব রকমেই হবে) কমলা ও লেবুর খোসা (তেজপাতার সম পরিমাণ) মুখে দুর্গন্ধের সমস্যা বা মাড়িতে ব্যথা থাকলে লবঙ্গ ২/৩ টি প্রণালি -তেজপাতা বেটে নিন বা মিহি গুঁড়ো করে নিন। -কমলা বা লেবুর খোসা শুকিয়ে লবঙ্গের সাথে মিশিয়ে গুঁড়ো করে নিন। -সব উপকরণ সামান্য লবণ সহযোগে একত্রে মিশিয়ে নিন। -ফলের খোসা শুকিয়ে নেয়া জরুরী। কাঁচা অবস্থায় দাঁতের ক্ষতি করবে। ব্যবহার বিধি এই গুঁড়োটি সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে সপ্তাহে ৩ দিন দাঁত মাজুন। রোজ মাজার প্রয়োজন নেই, এতে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। দাঁতের হলদে ভাবের ওপর নির্ভর করে সপ্তাহে দুই থেকে তিন বার ব্যবহার করাই যথেষ্ট।
আমাদের হাসিতেই যেন চেহারার সব সৌন্দর্য। আর হাসিটা দেয়ার পর যদি দেখেন দাঁতগুলোই সুন্দর না, তখন কেমন লাগবে বলুন তো? সুন্দর ধবধবে সাদা দাঁত সবাই চান। তাই অনেকগুলো টাকা খরচ করে ডেন্টিস্ট-এর কাছে যান দাঁত সাদা করতে। ভালো হবে না, যদি ঘরোয়া উপায়েই দাঁত ঝকঝকে সাদা করতে পারেন? অর্থ তো বাঁচবেই, আপনিও পাবেন সুন্দর ত্বক। আসুন, জেনে নিই ৪টি টিপস। ১। আপনার পছন্দের কোন টুথপেস্ট নিন, সাথে যোগ করিন ১ চামচ বেকিং সোডা ও আধা চামচ জল। সবগুলো একসাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তারপর ব্রাশে পরিমাণ মত নিয়ে ব্রাশ করুন। প্রতি সপ্তাহে ২ দিন এইভাবে ব্রাশ করুন সুন্দর পরিছন্ন দাঁত পেতে। ২। অলিভ ওয়েলও দাঁত ঝকঝকে সাদা করার ক্ষেত্রে দারুণ সহযোগিতা করে। একটি পরিষ্কার কাপড় বা সামান্য তুলোতে ৩/৪ ফোঁটা অলিভ ওয়েল নিয়ে দাঁতে কিছুক্ষণ ঘষুন। তারপর ব্রাশ করে ফেলুন। সপ্তাহে ২/৩ দিন করলেই হবে। ৩। আমাদের দেশেও এখন স্ট্রবেরি চাষ হয় এবং দামও খুব বেশি না। এই স্ট্রবেরি দিয়েও আপনি আপনার দাঁত সাদা করতে পারেন। ১ টি মিডিয়াম আকৃতির স্ট্রবেরি নিয়ে পেস্ট করুন, এর মধ্যে খুব সামান্য পরিমানে বেকিং সোডা দিন। দেখবেন পেস্ট তৈরি হয়ে গেছে। স্ট্রবেরিতে যেই এসিড থাকে তা দাঁত সাদা করতে সহায়তা করে। তবে এই পেস্ট মাসে একবার ব্যবহার করুন। এর বেশী নয়। এমন না করে নিয়মিত এই ফলটি খেলেও উপকার পাবেন। দাঁত থাকবে সুন্দর। ৪। আপনি কলা খেতে খুব ভালবাসেন? আপনি কি জানেন কলার খোসা আপনার দাঁতকে সাদা করতে সাহায্য করে। একটি কলা নিয়ে তার খোসা ছাড়িয়ে ভেতরের দিকটা দাঁতে ঘষুন। কিছুক্ষণ পর জল দিয়ে কুলি করে ফেলুন। এবং দেখুন দাঁত কেমন ঝকঝক করছে! এটা সপ্তাহে ২/৩ বার করলে দাঁত থাকবে সুন্দর ও উজ্জ্বল। তবে ফ্রেশ খোসা দিয়ে করুন। সূত্র:নিউজবিডি৭১
দাঁত সাদা করার ঘরোয়া পদ্ধতি> বেকিং পাউডার: এটি দাঁত সাদা করতে সবচেয়ে কার্যকরী। একটি ব্রাশ ভিজিয়ে নিয়ে পেস্টের সঙ্গে কিছুটা বেকিং পাউড়ার নিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত হয় ঝকঝকে সাদা। সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দাঁত ব্রাশের সময় এটাকরা যেতে পারে। স্ট্রবেরির বিচি: স্ট্রবেরি খেতে যেমন মজাদার, ফলটির বিচিও দাঁতের জন্য বেশ উপকারী। স্ট্রবেরি ফলের ছোট ছোট বিচি আপনার দাঁতের বাইরের অংশে ঘষুন। সপ্তাহে কমপক্ষে ২ বার এই কাজ করলে দাঁতে জমে থাকা ময়লা সহজেই দূর হয়। একই সঙ্গে দাঁতের রংও হবে উজ্জ্বল। লেবুর রস: এক চিমটি লবণ ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে মাজলে দাঁত সাদা হয়। এছাড়া লেবুর খোসা দিয়ে আপনার দাঁত স্ক্রাবিং করতে পারেন। দাঁত সাদা করতে এটাও বেশ ভাল উপায়। পাইপ ব্যবহার অনেকের চা ও কফির প্রতি দারুণ আসক্তি আছে। অবস্থা এমন যে সারা দিন কত কাপ চা বা কফি খাওয়া হয়েছে, তার হিসাব মেলানো দায়। একইকথা প্রযোজ্য সোডাজাতীয় পানীয়ের ক্ষেত্রে। সত্য কথা হলো—চা, কফি ওসোডাজাতীয় পানীয় দাঁতের শত্রু। এগুলো দাঁতের রং নষ্ট করে দেয়। দাঁত রক্ষায় এগুলো পান পুরোপুরি ত্যাগ বা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। আর তা সম্ভব না হলে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে পাইপ বা স্ট্র ব্যবহার করা যায়। কমলার খোঁসা: সকালে ঘুম থেকে উঠে পানি দিয়ে আপনার দাঁত ধুয়ে ফেলুন। তারপর কমলালেবুর খোসা দিয়ে আপনার দাঁতঘষুন। কমলালেবুর খোসায় ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সি এর উপস্থিতি থাকায় দাঁতের অণুজীবের সঙ্গে লড়াই করে। এতে দাঁত আরও সাদা এবং শক্তিশালী হয়। মাশরুম: দাঁত সাদা করতে মাশরুম খেতে পারেন। এতে প্রচুর পরিমাণে পলিস্যাকারাইড থাকে। যা ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে ও ডেন্টাল প্লাক হতে দেয়না।সবুজ চত্রাকে প্রচুর ফ্লুরাইড থাকে। এছাড়া এটি এন্টি এসিডিক হওয়ার কারণে দাঁতে হলুদ রং পড়তে বাঁধাদেয়। কাঠকয়লা: এর আগে মানুষের দাঁত পরিষ্কারে ব্যবহৃত হতো কাঠকয়লা। কাঠকয়লা আপনার দাঁত সাদা করতে সাহায্য করে। তাই মাঝে মাঝে কাঠ কয়লা মিক্স ব্যবহার করতে পারেন।ফ্লস ব্যবহারদাঁতের পরিচ্ছন্নতা ও রং সুরক্ষায় ফ্লসও বেশ উপকার দেয়। দাঁতের ফাঁক থেকে খাদ্যের কণা দূর করতে নিয়মিত ফ্লস ব্যবহার করুন। বিশেষত সারা দিন খাবারদাবার খাওয়ার পর প্রতি রাতেঘুমাতে যাওয়ার আগে ফ্লস ব্যবহার করে দাঁত পরিষ্কার ও উজ্জ্বল রাখা যায়।
আপনি,,, প্রথমে লেবুর খোসা শুকিয়ে নিন । তারপর তাতে লবন মিশ্রিত করে গুরু করে ফেলুন । তার পর আপনি ব্রাশ অথবা হাতের ব্যাবহার করে দাত মাজুন । দেখবেন আপনার দাত কত পরিস্কার হয়ে গেছে ॥॥ ভাল থাকবেন ।
বেকিং সোডা
নিয়মিত ব্রাশ করার পরও যদি দাঁতের কালচে বা লালচে ভাব দূর না হয়, তাহলে মাঝে মধ্যে অল্প পরিমান বেকিং সোডা দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করুন। দেখবেন কেরামতি ফলে গেছে। বেকিং পাউডারের সঙ্গে একটুখালি লবণ মিশিয়ে নিলে আরও ভালো ফল পাবেন।
কাঠ কয়লা
কাঠের কয়লা দিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত সাদা হয়। তবে তা যেন জীবাণুমুক্ত থাকে সে বিষয়ে খেয়াল রাকতে হবে। কয়লা মিহি গুঁড়া করে নিয়ে দাঁত মাজতে হবে, না হলে মাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
এক চিমটি লবণ ও কয়েক ফোঁটা লেবু দিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত সাদা হয়। কমলার খোসার ভেতরের অংশও সমান কার্যকর। আপেল সিডার ও সাদা ভিনেগার দাঁত সাদা করতে পারে।
দাঁতের হলদে ভাব দূর করবে কিছু খাবার এবং কয়েকটি নিয়ম মানলেই আপনার দাঁত থাকবে সাদা ও ঝকঝকে। আসুন জেনে নেই সেই খাবারগুলো ও নিয়মগুলো সম্বন্ধে-
◘ বিশেষ করে আপেল এবং স্ট্রবেরিতে রয়েছে ম্যালিক অ্যাসিড যা দাঁত সাদা করার একটি চমত্কার প্রাকৃতিক উপাদান। নিয়মিত ফল খেলে দাঁতে সহজে দাগ পড়ে না বা হলদেটে হয় না।
◘ সবজি গাজর, সবুজ শাক এবং ব্রকোলির মতো সবজি দাঁত থেকে দাগ দূর করতে সাহায্য করে। সালাদে গাজর খান নিয়মিত। এতে যেমন দাঁত ভালো থাকবে, তেমনি গাজর থেকে পাবেন প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিন তথা ভিটামিন এ, যা আপনার চোখ, ত্বক ও চুল রাখবে সুস্থ।
◘ শুকনো ফল ড্রাই ফ্রুট বা শুকনো ফল যেমন কিশমিশ দাঁত সাদা রাখতে সাহায্য করে।
◘ চিনি ছাড়া চুয়ুংগাম চিনি ছাড়া চুয়িংগাম দাঁতের দাগ দূর করার একটি চমত্কার উপায়। এটি দাঁতকে সাদা রাখতে সাহায্য করে।
◘ দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবারে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম যা দাঁতের জন্য খুবই জরুরি। এছাড়া দুগ্ধজাত খাবার, যেমন দই এবং পনির দাঁতের এনামেল বজায় রাখতে সাহায্য করে। যে নিয়মগুলো মেনে চললে দাঁত থাকবে সাদা ও জকঝকে
◘ ব্রাশ করার আগে ভালো মানের কোন টুথপেস্টের সঙ্গে যোগ করুন ১ চামচ বেকিং সোডা ও আধা চামচ পানি। তিনটি উপাদানই একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এরপর ব্রাশ করুন। সপ্তাহে দুই দিন এভাবে ব্রাশ করলে দেখবেন আগের চেয়ে ঝকঝকে হতে শুরু করেছে দাঁত।
◘ প্রাকৃতিক উপায়ে কলার খোসা দিয়েও দাঁত সাদা করতে পারেন। যেমন একটি কলার খোসা ছাড়িয়ে ভেতরের অংশটা দাঁতে ঘষুন। কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে কুলি করে ফেলুন এবং দেখুন দাঁতের অনেকটাই হলদে ভাব দূর হয়েছে। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।
◘ অলিভ ওয়েলও দাঁত সাদা করার ক্ষেত্রে দারুণ কার্যকর। সামান্য তুলোর মধ্যে ৩ থেকে ৪ ফোঁটা অলিভ ওয়েল নিয়ে দাঁতে ঘষুন। এরপর ব্রাশ করে দেখন সুন্দও লাগছে।
◘ স্ট্রবেরির সঙ্গে সামান্য পরিমানে বেকিং সোডা মিশিয়েও দাঁতে ঘষতে পারেন। এই পেস্ট দাঁত সাদা করতে সহায়তা করে। তবে মাসে একবারের বেশি ব্যবহার করা ঠিক হবেনা।
এছাড়া দাঁত সাদা করার জন্য যেসব প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করতে পারেন তা হলো- পুদিনা পাতা, সুগার ফ্রি চুইংগাম, সবুজ চা, মাশরুম ইত্যাদি।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy