2 Answers

এ রোগ আক্রান্ত হলে শরীরে দুর্বলতা দেখা দেয় আর ওজন কমতে থাকে। তাই সমস্যা চিহ্নিত হলে ভালো ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে এর থেকে মুক্তি পাওয়া উচিত।               

2784 views

এই রোগের লক্ষন হলো, 

  • দুই মাসেরও অধিক সময় যাবৎ যৌন ক্রিয়ার প্রতি কোন আগ্রহ অনুভব না করা।
  • যৌন মিলন এড়িয়ে যাওয়া, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যৌন মিলনের বাসনা অত্যন্ত কম অনুভব করা, কিংবা যৌন মিলনের প্রতি দুঃশ্চিন্তা বা উদ্বেগ থাকা।
  • কখনও কখনও আগেই বীর্যপাত ঘটা, যৌন মিলনের সময় ব্যথা হওয়া, অক্ষমতা কিংবা তীব্র যৌন সুখ পেতে অক্ষমতা।
  • যৌন আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়।
  • দাম্পত্য সুখ শান্তি বিঘ্নিত হয়।
  • সাংসারিক শান্তি নস্ট হয়।
এছড়াও    স্ত্রী সহবাসের সময় পেনিসের উত্থান হয় না অথবা সামান্য মাত্র উত্থান হয়ে আবার নিস্তেজ হয়ে পড়ে। দ্রুত বীর্যপাত অর্থাত্‍ বীর্য ধারণের সময় যতটা হওয়া উচিত তার চেয়ে অনেক কম। পেনিসে উত্তেজনা দেখা যায় না আর হলেও অনেক কম। বীর্য স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি তরল হয়। বীর্যপাতের পর অস্বাভাবিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। বীর্য এতটা পাতলা যে দেখতে জলের মত।
পুরুষের পুরুষোচিত গুনাবলীর বিকাশ হয় না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শুক্র কীট ঠিকমত না থাকার কারনে সন্তান সৃষ্টি বিঘ্নিত হয়।মনে মনে কামভাব থাকলেও যৌন সুখ না হবার দরুন মানসিক অবসাদ ও হতাশার সৃষ্টি হয়। 
উক্ত লক্ষন গুলো আপনার মাঝে প্রকাশ পেলে যত দ্রুত সম্ভব যৌন বিশেষজ্ঞের কাছে চিকিৎসা নিবেন।
2784 views

Related Questions