3 Answers
অ্যালোভেরার উপকারিতা নিয়ে আমরা কতটা জানি? ত্বক ভাল রাখতে অ্যালোভেরার কোনও বিকল্প আছে বলে তো মনে হয় না। তাই তো বলি, সৌন্দর্যের একেবারে চূড়ায় পৌঁছাতে চাইলে আপনার গাইড হতেই পারে প্রাকৃতিক এই উপাদানটি। কারণ অ্যালোভেরা শুধু ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে না, সেই সঙ্গে নানা ধরনের স্কিন প্রবলেম-কেও দূরে রাখে। এক্ষেত্রে জেনে রাখা ভাল যে নানা ধরনের ত্বকের জন্য নানাভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে একে! অ্যালোভেরার উপকারিতা বলে শেষ করার মত নয় । এতে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকার কারণে বিউটি প্রোডাক্ট হিসাবে অ্যালোভেরার জনপ্রিয়তায় কোনওদিন ভাটা পড়ে নি। শুধু কি তাই! এতে রয়েছে ল্যাকটিন, মেনাস এবং পলিস্যাকারাইড। এই উপাদানগুলি নানাভাবে ত্বকের উপকার করে থাকে। তাহলে অপেক্ষা কিসের! ঝটপট আপনার ত্বকের জন্য জেনে নিন অ্যালোভেরার ৮ ধরনের ফেইস মাস্ক ও তাদের কার্যকারিতার কথা। ১) অ্যালোভেরা ও নিম পাতা ত্বকের প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি স্কিন-এর শুষ্কতা দূর করতে এবং ত্বককে প্রাণোচ্ছল বানাতে অ্যালোভেরার উপকারিতা অসীম। অ্যালোভেরা ও নিম পাতা– এই ২ টি উপাদান মিলিয়ে বানিয়ে ফেলুন একটি পেস্ট। তরপর সেটি মুখে লাগিয়ে নিন। প্রসঙ্গত, ভাল করে মুখটা ধুয়ে নিয়ে ফেইস মাস্কটি লাগাবেন। নচেৎ ভাল ফল পাবেন না। অ্যালোভেরা ও নিম পাতার ফেইস প্যাক - shajgoj.com ২) অ্যালোভেরা ও হলুদ দুধ, হলুদ এবং অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে বানানো এই ফেইস মাস্ক-টি উজ্জ্বল এবং নরম ত্বক পেতে আপনাকে সাহায্য করবে। প্রসঙ্গত, হলুদে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা ব্রণের প্রকোপ কমায়। অপরদিকে, অ্যালোভেরা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। আর দুধ কী কাজে লাগে? কাঁচা দুধ ত্বকের পিএইচ লেভেল ঠিক রাখে। ফলে ত্বক নরম হয়। অ্যালোভেরা ও হলুদ এর ফেইস প্যাক - shajgoj.com ৩) অ্যালোভেরা ও গোলাপ জল শুষ্ক ত্বককে স্বাভাবিক করতে এই ফেইস মাস্ক-টি দারুণ কাজে আসে। সেই সঙ্গে বলি রেখা, ব্রণ এবং কালো ছোপ আটকাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। প্রসঙ্গত, অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে কয়েক ড্রপ গোলাপ জল মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন মুখটা। অ্যালোভেরা ও গোলাপ জল এর ফেইস প্যাক - shajgoj.com ৪) অ্যালোভেরা ও শসা যাদের ত্বক খুব স্পর্শকাতর, তারা এই ফেইস মাস্ক-টি ব্যবহার করতে পারেন। এটি বানাতে একটা অ্যালোভেরা পাতা থেকে সংগ্রহীত জেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা শসার রস মেশাতে হবে। যখন দেখবেন দুটি উপাদান ভাল মতন মিশে গেছে, তখন সেটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। প্রসঙ্গত, তৈলাক্ত ত্বক, ময়লা এবং ত্বকে জমতে থাকা নানা ক্ষতিকর উপাদানকে পরিষ্কার করে ফেলতে এই ফেইস মাস্ক-টি দারুণ কাজে দেয়। অ্যালোভেরা ও শসার ফেইস প্যাক - shajgoj.com ৫) অ্যালোভেরা ও লেবু আপনার কি ড্রাই স্কিন? তাহেল এই ফেইস মাস্ক-টি আপনার জন্য একেবারে পারফেক্ট! কারণ অ্যালোভেরা অ্যান্টি- অক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ, যা ব্রণ এবং চুলকানি কমায়। এখানেই শেষ নয় এই প্রাকৃতিক উপাদানটি লাগালে স্কিন আর্দ্র হয়। ফলে ত্বকের শুষ্কতা দূর হয়। কীভাবে বানাতে হবে এই ফেইস মাস্ক-টি? এটি বানানো খুব সহজ! পরিমাণমতো অ্যালোভেরা জেল নিয়ে তাতে এক ড্রপ লেবুর রস দিয়ে ভাল করে দুটি উপাদান মেশান। তারপর তা মুখে লাগিয়ে কম করে হলেও ২০ মিনিট রেখে দিন। সময় হয়ে গেলে ঠান্ডা জল দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলুন। অ্যালোভেরা ও লেবুর ফেইস প্যাক - shajgoj.com ৬) অ্যালোভেরা ও মুলতানি মাটি ১ চামচ মুলতানি মাটির সঙ্গে ১ চামচ অ্যালোভেরা জেল এবং পরিমাণমতো গোলাপ জল মিশিয়ে বানানো পেস্ট মুখে লাগাতে শুরু করলে উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না। কারণ মুলতানি মাটি এবং অ্যালোভেরা জেল, এই দুটিতেই এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা ত্বকে প্রবেশ করে বিষাক্ত উপাদানদের বার করে দেয় ফলে ফর্সা এবং উজ্জ্বল ত্বকের অধিকারী হয়ে ওঠার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে সময় লাগে না। অ্যালোভেরা ও মুলতানি মাটি ফেইস প্যাক - shajgoj.com ৭) অ্যালোভেরা ও মধু যাদের তৈলাক্ত ত্বক তাদের জন্য এই ফেইস মাস্ক- টি দারুণ কার্যকরী। কারণ মধু এবং অ্যালোভেরা, উভয়ই ত্বকের অতিরিক্ত তেলাভাব কমায়, শুধু তাই নয় স্কিন-এর বন্ধ হয়ে যাওয়া ছিদ্রগুলোকেও খুলে দেয়। ফলে ময়লা ধুয়ে গিয়ে ত্বক সুন্দর হতে শুরু করে। অ্যালোভেরা ও মধুর ফেইস প্যাক - shajgoj.com এক্ষেত্রে এক চামচ মধুর সঙ্গে পরিমাণমতো অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে ফেলুন। তারপর সেই ফেইস মাস্ক-টি ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করুন ত্বকে। প্রসঙ্গত, প্রতিদিন যদি এই ফেইস মাস্ক-টি মুখে লাগাতে পারেন তাহলে অল্পদিনেই দেখবেন ত্বক উজ্জ্বল হতে শুরু করেছে। ৮) অ্যালোভেরা ও ওটমিল অ্যালোভেরা ও ওটমিল ফেইস প্যাক - shajgoj.com ত্বকের উপরি অংশে জমতে থাকা মৃত কোষদের পরিষ্কার করে ফেলতে এই ফেইস মাস্ক-টি কাজে লাগে। অ্যালোভেরা জেল, লেবুর রস এবং ওটমিল মিশিয়ে এই ফেইস মাস্ক-টি বানিয়ে ফেলুন। তরপর সেটি ধীরে ধীরে মুখে লাগান। কিছুক্ষণ রেখে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এইতো জেনে নিলেন অ্যালোভেরার উপকারিতা ও এর ৮ টি দারুণ ফেইস প্যাকের কথা। ত্বকের যত্নটাও যত্নহকারেই হোক। ভালো থাকুন। আর হ্যাঁ, ত্বকের যত্ন নিন।
রূপচর্চায় রয়েছে ঘৃতকুমারীর ব্যাপক অবদান। বিশেষ করে মেছতা নিরাময়ের ক্ষেত্রে। ঘৃতকুমারীর পাতা, শসা ও মধু একত্রে পেস্ট করে মেছতায় নিয়মিত লাগালে বেশ উপকার পাওয়া যায়। আপনি পাতার ভেতরের থকথকে অংশটা প্রতিদিন মেছতার ওপর লাগিয়ে মাসাজ করলে দাগ অনেকটাই হালকা হয়ে আসবে। রোদে পোড়া ত্বকেও ঘৃতকুমারী সমান কার্যকর। ঘৃতকুমারীর রস উপটান বা মুলতানি মাটির সাথে মিশিয়ে পোড়া অংশে লাগালে উপকার পাবেন। আপনি চালের গুঁড়ি স্ক্র্যাবার হিসেবে ব্যবহার করলে এর সাথে মেশাতে পারেন ঘৃতকুমারীর রস। এতে ত্বক পরিষ্কারের পাশাপাশি হয়ে উঠবে কোমল ও উজ্জ্বল। খুশকি দূর করতেও ঘৃতকুমারীর জুড়ি নেই। এর রস সপ্তাহে দুদিন চুলের গোড়ায় লাগিয়ে দেখুন, মাত্র এক মাসে ফলাফল পাবেন! চুলে ঘৃতকুমারী নিয়মিত লাগালে চুলের হারানো উজ্জ্বলতা ফিরে আসে। চুল হয় মোলায়েম ও ঝরঝরে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy