ধনুষ্টংকার রোগ টা আসলে কি?

ধনুষ্টংকার রোগ হলে কি কি প্রতিক্রিয়া হয়? আর এর থেকে বাচার ওপায় কি? বিস্তারিত বললে উপকার হত।
3120 views

2 Answers

টিটেনাস বা ধনুষ্টংকার একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ যা প্রধানত মাংসপেশী ও স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রান্ত করে। ক্লসট্রিডিয়াম টিটানি ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে এটি হয়।এই ব্যাকটেরিয়া যখন আমাদের শরীরে আক্রমণ করে তখন এক বিশেষ ধরনের টক্সিন তৈরি করে।এটি আমাদের শরীরের রক্তের মধ্য দিয়ে ঢুকে স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রান্ত করে এবং মাংশপেশি শক্ত হয়ে যায়। এ রোগে রোগীর মুখ, ঘাড় ও পিঠের মাংসপেশি শক্ত হয়ে যায়। ফলে রোগী মুখ খুলতে পারে না এবং ঘাড় নাড়াতে পারে না। পিঠ বাঁকা হয়ে ধনুকের মতো হয়ে যায় ও খিচুনি হয়।সাধারণত টিটেনাস  থেকে রক্ষ পাওয়ার জন্য টিটি টিকা নিতে হয় জন্মের পর পর ই সকল শিশুকে।উপযুক্ত টীকা নিয়ে এবং সংক্রমণ-পরবর্তী রোগবারক ওষুধ ব্যবহার করে এই সংক্রমণটির প্রতিরোধ করা সম্ভব।এছাড়া টিটেনাস এর লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসক এর পরামর্শ নেয়া উচিৎ।

3120 views Answered
ধনুষ্টঙ্কার হল একটি রোগ যার ফলে ঐচ্ছিক পেশী তন্তুর দীর্ঘায়িত সঙ্কোচন ঘটে। এই সংক্রমণ সাধারণত শরীরের কাটা অংশ বা গভীর ক্ষতের মধ্য দিয়ে ঘটে।
প্রতিক্রিয়া
  • আক্রান্ত ব্যাক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ে ৷
  • জ্বর থাকতে পারে।
  • মাংসপেশিগুলো সংকুচিত হতে থাকে এবং প্রচুর খিঁচুনি হতে পারে।
  • মুখের মাংসপেশিগুলো শক্ত হয়ে যাওয়ার ফলে হাঁ করতে অসুবিধা হয়।
  • মুখ ও চোয়াল শক্ত হয়ে যায় এবং জোরে কাঁদতে পারেনা।
  • শরীর শক্ত হয়ে যায় ৷
  • খিঁচুনি হয় ৷
  • কখনো কখনো শরীর পেছনের দিকে ধনুকের মতো বাঁকা হয়ে যায়।
  • যে কোনো ব্যথা, শব্দ, আলো ইত্যাদির কারণে খিঁচুনি আরম্ভ হয় এবং ৩-৪ মিনিট স্থায়ী হয়।
  • শ্বাসকষ্ট হয় এবং রোগী ঢোক গিলতেও পারে না।
  • শরীরের কাটা জায়গা, যার মাধ্যমে জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে, সেখানে ইনফেকশন হতে পারে।

সাধারণত শিশুদের জন্মের পর টিটি টিকা দেওয়া হয়। এছাড়া প্রতিরোধের জন্যে ১৫ বছর বয়সে পুরুষ ও নারীরা টিটি টিকা নিতে পারেন। ধনুষ্টংকারের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়া মাত্র নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র অথবা ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
3120 views Answered

Related Questions

Next steps