5 Answers
আরো বিস্তারিত জানতে এখানে যান।
প্রিয় ডিপ্লোমা শিক্ষার্থী, আশা করছি সকলে ভালো আছ। তুমরা ডিপ্লোমাতে ভর্তি হবার পর অনেকেই বুঝতে পারো না কি করে সময়কে ব্যবহার করা উচিত, অনেক ক্ষেত্রে তুমরা সঠিকভাবে দিক নির্দেশনা পেয়ে থাকনা। অনেকেই ডিপ্লোমা ভর্তি হবার পরেই ভেবে থাকে যে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়লে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার চাকরি অভাব হবে না। এ ভাবনাগুলো সম্পূর্ণ ভূল। বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থী বেকার। বর্তমানে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার চাকরি পেতে হলে তুমাকে অনেক ছাত্র- ছাত্রীদের সাথে প্রতিযোগিতা করতে হবে। তোমার ভিতর এক্সট্রা কিছু থাকতে হবে। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশুনা মানেই শুধু থিউরি (পাঠ্য-পুস্তক) নয়, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশুনায় থিউরি ও ব্যবহারিক জ্ঞান দুটোতেই ভালো হতে হবে। এমন অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা পাশ করার সাথে সাথে চাকুরী পাচ্ছে আবার অনেকেই পাশ করার ২য় বছর বা ৩য় বছর বা আরো পরে চাকুরী পাচ্ছে। যারা পাশ করবার সাথে সাথে চাকুরী পাচ্ছে তারা তাদের ক্যারিয়ার নিয়ে অনেক সচেতন ছিল। একারনে নিজের ক্যারিয়ার সম্বন্ধে আগেই সচেতন হওয়া উচিত। মনে কর একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার চাকরি সার্কুলার হয়েছে যেখানে ২০ জন ফ্রেশ ইঞ্জিনিয়ার নিবে। সেখানে ৫০০ জন ছাত্র আবেদন করেছে যার মাঝে তুমিও রয়েছ। সবার সিভিতে উল্লেখ করা তাদের ব্যাক্তিগত পরিচিতি ও পড়াশুনা এবং ফ্রেশ ছাত্র। এখন সেই কোম্পানী ৫০০ জন থেকে ২০ জন কি করে নিবে??? ভাবছো পরীক্ষা, ভাইবা এইসব থেকে!!!! প্রাইভেট কোম্পানির ক্ষেত্রে ব্যাপারটি একদম ভিন্ন। অনেক কোম্পানী রয়েছে যেখানে সিভি দেখেই তারা কল করে ভাইবার জন্য। কিন্তু তারা কখনো ৫০০ সিভি দেখেই সবাইকে কল করবেনা। এখন তোমার সিভিতে যদি তুমি উল্লেখ করে দাও যে তোমার বিষয়ভিত্তিক সম্পর্কিত বিভিন্ন কোর্স করেছ, কন্ট্রোলিং পারো, তুমি ব্যবহারিক প্রজেক্ট করেছ ইত্যাদি। তাহলে হয়তো তারা তুমাকে ভাইবার জন্য কল দিতে পারে। এই লেখাটি মূলত এই উদ্দেশ্যে লেখা যে পলিটেকনিক শিক্ষার্থী চাকুরি পেতে হলে নিজেকে কিভাবে তৈরী করবে। বিঃদ্রঃ অনেক প্রাইভেট কোম্পানী রয়েছে যেগুলো পরীক্ষা ভিত্তিতে নিয়োগ করে, এটা প্রত্যেকটি কোম্পানীর ব্যক্তিগত নিয়ম কানুনের উপর নির্ভর করে। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার চাকরি পাওয়া তাদের জন্য কঠিন যারা সময়কে ভালোভাবে ব্যবহার করে না, ব্যবহারিক কাজে যাদের অভিজ্ঞতা নেই। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার চাকরি পেতে নিজেকে যেভাবে তৈরি করতে হবে প্রথম ধাপে রেজাল্ট ভালো হতে হবে। রেজাল্ট ভালো হলে চাকুরীর ক্ষেত্রে ভাইবা বোর্ডে ইন্টারভিউয়াররা আপনাকে অবশ্যই সবার চেয়ে আলাদা দৃষ্টিতে বিবেচনা করবে। তাই বলে এমন নয় যে রেজাল্ট ভালো হলেই জব হয়ে গেল! আর হ্যা, রেজাল্ট খারাপ হলে যে জব হয় না তা নয়।
পলিটেকনিক বলতে যন্ত্র সংক্রান্ত প্রকৌশল ক্ষেত্রের একটি ধরন বুঝায়। যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রয়োগ ঘটে। এটি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এর অধীনে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত শিক্ষাক্রমগুলো হলো ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার, ডিপ্লোমা ইন ফরেস্ট্রি, ডিপ্লোমা ইন মেরিন টেকনোলজি, ডিপ্লোমা ইন হেল্থ টেকনোলজি, এইচএসসি (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও এসএসসি (ভোকেশনাল)। বোর্ড এর অধীনে চার বছর মেয়াদী শিক্ষাক্রম পরিচালিত হয়। ঢাকা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট বাংলাদেশের একটি প্রাচীন ও বৃহত্তম সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট।
ছোট্ট করে বলি, Polytechnic এখান দুটি শব্দ মিলে একটি শব্দ হয়েছে। poly এবং Technic। Poly অর্থ বহু বা অনেক এবং Technic কৌশল। Polytechnic অর্থ বহু বা অনেক ধরনের কৌশর বা প্রকৌশল। এটা মূলত কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা যন্ত্রের উপর সুনির্দিষ্ট, স্বচ্ছ ধারণা দেয়। আর কোনো তথ্য লাগলে বলবেন। আমি একজন পলিটেকনিক ছাত্র।
যে প্রতিষ্ঠানে কর্মমুখী কারিগরী শিক্ষা প্রদান করা হয়, তাকে এককথায় পলিটেকনিক (Polytechnic) বলে। Poly শব্দের অর্থ বহু, Tech শব্দের অর্থ প্রযুক্তি আর Technic শব্দের অর্থ কলাকৌশল। পলিটেকনিক হচ্ছে বহু বিদ্যা বিষয়ক বা কারিগরী শিল্প বিষয়ক প্রতিষ্ঠান। সূত্রঃ বাংলা ইংরেজি ডিকশনারী।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy