2 Answers

আল্লাহকে পাওয়ার জন্য অবশ্যই চেষ্টা সাধনা করতে হবে, তাহলেই হেদায়াত পাওয়া সম্ভব। আর আল্লাহ নিজেই বলেছেনন, "যারা আমার ব্যাপারে চেষ্টা সাধনা করবে আমি অবশ্যই তাকে আমার রাস্তাগুলো দেখাব।" চেষ্টা সাধনা না করে একটা দুনিয়াবি সার্টিফিকেট পাওয়া যায় না, তাহলে কিভাবে চেষ্টা সাধনা ছাড়া আল্লাহকে পাওয়া যেতে পারে? চেষ্টা সাধনা ছাড়া কিভাবে জান্নাতের সার্টিফিকেট পাওয়া যেতে পারে?

তাই, আল্লাহর অভিমুখী হন এবং কুরআনের কাছে আসুন। অল্প অল্প হলেও প্রতিদিন কুরআন ও কুরআনের অর্থ পড়ুন, তাফসির পড়ুন, নিয়মিত ১ মাস,২ মাস,৩ মাস পড়লে ইনশাআল্লাহ হেদায়াত পেয়ে যাবেন। কারণ এই কুরআন-কে আল্লাহ নিজেই বলে দিয়েছেন "এটা হেদায়াতের গ্রন্থ।" আমরা এই কুরআন থেকে দূরে সরে গিয়েছি, তাই হেদায়াত পাচ্ছি না। আমরা এই কুরআন থেকে দূরে সরে গিয়েছি তাই আমরা পথভ্রষ্ট হয়ে গেছি। এই কুরআনের কাছে আসলে ইনশাআল্লাহ নিশ্চয় হেদায়াত পাওয়া যাবে।

জনাব! দুনিয়াবি জ্ঞান অর্জনের জন্য তো আমরা নিজের চোখের ঘুমকে হারাম করে ফেলি, কত কষ্ট করি একটা দুনিয়াবি সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য। তাহলে, কুরআনের বেলায় কেন নয়? 

শেষকথা, কুরআনের সংস্পর্শে থাকলেই একমাত্র আল্লাহ-কে পাওয়া সম্ভব৷

2943 views Answered

একজন মুমিনের জন্য জিবনে সবচেয়ে বড় চাওয়া হ‌ওয়া উচিৎ আল্লাহকে পাওয়া তথা তাঁর নৈকট্য অর্জন করা। নৈকট্য অর্জনের পথ-পদ্ধতি কি হতে পারে? সেই দিকটি মহান আল্লাহ পাক নিজেই তা রাসূলের সাঃ মাধ্যমে বান্দাদের কে জানিয়ে দিয়েছেন,যেন বান্দারা জিবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি কে হারিয়ে না বসে। নৈকট্য অর্জনের পথগুলো নিচে বর্ণনা করা হলো। (১) তাওবা ও ইস্তেগফার করাঃ একজন মুমিন বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তেগফারের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে পারে। আল্লাহ পাক সেদিকে ইঙ্গিত করে বলেন, তোমরা ইস্তেগফার করো এবং তাওবা করো! নিশ্চয়ই আমার প্রতিপালক নিকটে আছেন, কবুল করেন।(সূরা সুদ,৬১) (২) তাওয়াক্কুল তথা আল্লাহর উপর ভরসা করাঃ যেকোন বিষয়ে যথাসাধ্য চেষ্টা করে তার ফলাফল আল্লাহর কাছে অর্পণ করার নাম তাওয়াক্কুল তথা আল্লাহর উপর ভরসা করা।এই তাওয়াক্কুলের মাধ্যমেও একজন মুমিন আল্লাহ পাকের নৈকট্য অর্জন করতে পারে। এদিকে ইঙ্গিত করে আল্লাহ পাক বলেন,যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, আল্লাহ‌ই তার জন্য যথেষ্ট।(সূরা তালাক,৩) (৩) আল্লাহর ফরজ বিধান গুলির সঙ্গে নফল ইবাদত করাঃ আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের জন্য তাঁর ফরজ বিধান গূলো যথাযথ পালন করতেই হবে।এর সঙ্গে নফল ইবাদত তথা নফল নামাজ,সদকা, কুরআনের তেলাওয়াত, যিকির ইত্যাদি পালন করে যেতে হবে।তাহলে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা সম্ভব হবে। (৪) কুরআন-হাদিসে বর্ণিত নির্দেশ পালন ও নিষেধাজ্ঞা বিষয়বলি থেকে বিরত থাকাঃ কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত নির্দেশ গুলো পালন ও নিষেধাজ্ঞা বিষয়বলি থেকে বিরত থাকার মাধ্যমেও আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা সম্ভব। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা কিছু করেছেন এবং সাহাবায়ে কেরাম তাঁর অনুসরণে যেগুলো করেছেন, সেগুলো পালন করা। আল্লাহ পাক বলেন, বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস, তাহলে আমাকে অনুসরণ কর, যাতে আল্লাহ ও তোমাদিগকে ভালবাসেন এবং তোমাদিগকে তোমাদের পাপ মার্জনা করে দেন। আর আল্লাহ হলেন ক্ষমাকারী দয়ালু। (৫) সৃষ্টি জীবের প্রতি দয়া প্রদর্শন করাঃ একজন মুমিন আল্লাহর সৃষ্টি জীবের প্রতি দয়া প্রদর্শন করেও আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে পারে। বুখারী শরীফে বনী ইসরাইলের একজন মহিলা কুকুরের প্রতি দয়া প্রদর্শন করে জান্নাত লাভে ধন্য হ‌ওয়ার কথা বর্ণিত হয়েছে।এত্থেকে বুঝা যায়,সৃষ্টির প্রতি দয়া প্রদর্শন করে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা যায়।

2943 views Answered

Related Questions

Next steps