5 Answers

আপনার এসব খাবার পর পেটের গাত্র থেকে বেশি সময় হাইড্রোক্লোরিক এসিড নিসরন করায় এমন হয় । এক্ষেতে অতি কার্বন অনু খাবার পরিহার করুন এবং বেশি পানি পান এবং পাকা পেপে খেতে পারেন । সর্বপরি ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন

2989 views Answered

খুব সম্ভব আপনার গ্যাস্টিকের সমস্যা। আপনি লিভার বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখান।

2989 views Answered

ঘরোয়া কিছু চমৎকার প্রাকৃতিক উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করতে পারেন। ১.আদার ব্যবহারঃ – ১ টেবিল চামচ আদার রস, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ও ১ চিমটি লবণ ভালো করে মিশিয়ে পানি ছাড়া পান করে ফেলুন। দেখবেন বদহজমের সমস্যা দূর হয়ে গিয়েছে। – আদা কুচি লবণ দিয়ে চিবিয়ে খেলেও উপশম হবে সমস্যার। – ২ কাপ পানিতে আদা কুচি দিয়ে জ্বাল দিয়ে ১ কাপ পরিমাণ করে এতে সামান্য মধু মিশিয়ে আদা চা তৈরি করে পান করে নিন। এতে অনেকাংশেই দূর হয়ে যাবে হজমের সমস্যা। ২.দারুচিনির ব্যবহারঃ – ২ কাপ পরিমাণ পানিতে ১ টেবিল চামচ দারুচিনি গুঁড়ো অথবা ৪ টুকরো মাঝারি আকারের দারুচিনি ছেঁচে দিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন। – ১ কাপ পরিমাণে পানি কমে আসলে নামিয়ে সামান্য মধু মিশিয়ে গরম গরম পান করে নিন দারুচিনির চা। – অনেক দ্রুত বদহজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। ৩.বেকিং সোডার ব্যবহারঃ – পাকস্থলীর অপ্রয়োজনীয় অ্যাসিডের অতিরিক্ত নিঃসরণের ফলেই বদহজম হয়ে থাকে। এই সমস্যা দূর করতে বেশ কার্যকর বেকিং সোডা। – আধা গ্লাস পানিতে আধা চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে পান করে ফেলুন। দ্রুত বদহজমের সমস্যা দূর হবে। – আধা গ্লাসের চাইতে বেশি পরিমাণে পান করেবেন না। ৪.সাদা ভিনেগারের ব্যবহারঃ – ১ কাপ পানিতে ১ টেবিল চামচ সাদা ভিনেগার ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। – এই পানীয়টি পান করুন দিনে ৩-৪ বার। হজমের সমস্যা একেবারে দূর হয়ে যাবে। সূত্র: প্রিয় লাইফ

2989 views Answered

১। আদা-  আদা অতি উপকারি একটি ভেষজ। এটা সব সময় খুব সহজেই হাতের কাছে পাওয়া যায়। এটি পেটের যে কোন সমস্যার জন্য খুব উপকারি। বমির উদ্রেক হলে একটি আদা নিয়ে কুচি কুচি করে কাটুন অথবা ছেঁচুন। এক গ্লাস পানিতে সেটি ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সেই আদা ভেজানো পানি খেয়ে ফেলুন

২। পুদিনা পাতাঃ বমি তাড়াতে পুদিনা পাতা অনেক কার্যকরী। বমি বমি ভাব অনুভূত হচ্ছে? সাথে সাথে ২-৩ টি পুদিনা পাতা মুখে নিয়ে চুষতে থাকুন। পুদিনা পাতা খাদ্যনালী এবং পাকস্থলীর যেকোন পীড়া দূর করতে সক্ষম। যাদের যাত্রাপথে বমি হয়, তারা সাথে পুদিনা পাতা রাখুন।

৩। লবঙ্গঃ লবঙ্গ ডায়রিয়া, বদহজম এবং বমির অব্যর্থ ঔষধ। এক টেবিল চামচ লবঙ্গ এক কাপ পানির সাথে চুলায় দিন। ১০ মিনিট মাঝারি আঁচে চুলায় রাখুন। বমি হওয়ার সাথে সাথে সেটা চায়ের মত করে পান করুণ। সুগন্ধিযুক্ত লবঙ্গ খুব কার্যকরী।

৪। দারচিনী - বমির ভাব দূর করার জন্য দারচিনী অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি। বদহজমের কারণে বমি হলে, দারচিনী বমি সমস্যা দূর করার পাশাপাশি হজমক্রিয়াকেও শক্তিশালী করেন। আধা টেবিল চামচ দারচিনীর গুড়া এক কাপ পানির সাথে মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। তারপর চায়ের মত করে পান করুন।

৫। পেয়াজ এর রস-  বমি আসলে সাথে সাথে আধা টেবিল চামচ পেঁয়াজের রস পান করুন। পেঁয়াজের রসের সাথে আদার রস মেশাতে পারলে এটা দারুণ কার্যকরী হবে এবং দ্রুত  সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

2989 views Answered

আপনার বদহজম থেকে মুক্তি পেতে কিছু উপায় দেখুন এবং এই উপায় গুলো প্রতিনিয়ত মেনে চলবেন আসা করি তারাতারি মুক্তি পাবেন।

ভুল খাদ্যাভ্যাস:
  1. আপনার খাদ্যাভ্যাস কিন্তু বদহজম সৃষ্টির পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হতে পারে। এজন্য সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ছোট ছোট গ্রাসে করে খাবার আস্তে আস্তে খাওয়া উচিত। খাবার খাওয়ার সময়ে বার বার পানি না খেয়ে বরং খাওয়ার শেষে পান করুন।
     
    ভরপেট খাওয়ার পর ব্যায়াম:
    স্বাভাবিকভাবে ব্যায়াম করা শরীরের জন্য খুব উপকারি। কিন্তু অবশ্যই তা ভরপেট খাওয়ার পর না। ভরপেট খাওয়ার পর ব্যায়াম করলে তা হতে পারে বদহজমের কারণ।
     
    মাত্রাধিক পরিমাণে ওষুধ খাওয়া:
    প্রয়োজনের অতিরিক্তি বেশি ওষুধ গ্রহণ করা শরীরের জন্য মোটেও ভাল না। বেশি পরিমাণে ওষুধ খেলে শরীরে এসিডের মাত্রার তারতম্য ঘটে থাকে। যা হজমে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
     
    ধূমপান:
    ধূমপান শারীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এটি শুধু রোগ সৃষ্টিতে সাহায্য করে তা-নয়, বরং অন্যান্য সকল সমস্যার সাথে হজমেরও ব্যাঘাত ঘটায়। আমাদের শরীরের হজমে সহায়ক উপকারি এনজাইমগুলোকে সিগারেটের ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থগুলো মেরে ফেলে বিঘ্ন ঘটে হজম প্রক্রিয়ায়। ফলস্বরূপ দীর্ঘ সময় ধরে শরীর কোন খাবার হজম করতে পারে না।
     
2989 views Answered

Related Questions

Next steps