2 Answers
রেডিয়েশন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেমিক্যাল বা কারখানায় ব্যবহৃত রাসায়নিক, পেস্টিসাইড বা কীটনাশক, ভেজাল খাবার ও খাদ্যে রাসায়নিকের ব্যবহার, হেয়ার ডাই ও কিছু প্রসাধনীর ব্যবহার, লুব্রিকেন্টস, বার্নিশ, কেমোথেরাপি ব্যবহারের ইতিহাস ও কিছু জেনেটিক অসুখ থাকলে ব্লাড ক্যান্সার হয়।
লক্ষন:দুর্বলতা, খাবারে অরুচি, বুক ধড়ফড়, ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া, ঘন ঘন ইনফেকশন বা জ্বর, গায়ে কালো কালো দাগ ও রক্তক্ষরণ, গায়ে ব্যথা, গ্ল্যান্ড ফুলে যাওয়া, প্লীহা ও লিভার বড় হওয়া ইত্যাদি ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষন।
ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণসমূহ:
*অতিরিক্ত মাত্রায় ওজন কমে যাওয়া
*ক্রমাগত জ্বর এবং কাশি হওয়া
*অতিরিক্ত এবং প্রায়ই মাথা ব্যথা এবং মেরুদণ্ড ব্যথা হওয়া
*চামড়ার নিচে ফোলা বা দলা ভাব
*অস্বাভাবিক রক্তপাত
*শরীরের চামড়ায় পরিবর্তন
*খুব দ্রুত ক্লান্ত এবং অবসাদগ্রস্থ হয়ে পড়া। ইত্যাদি।
ক্যান্সারের কারণ:
*বয়স
*খাবার এবং জীবনযাপনের ধারা
*পারিবারিক ইতিহাস
*পরিবেশ এবং পেশাগত কারণ। ইত্যাদি।