আমি দীর্ঘ ১ বছর যাবৎ ধূমপানে আসক্ত. আমি চাইলেও এটাকে করতে পারতেছিনা

কোনো সহজ উপায় আছে কি এটাকে পরিত্যাগ করার বা আমার এখন কি করা উচিত ?

3010 views

6 Answers

পড়াশোনা অথবা কাজে বেশি সময় ধরে মনোযোগ দিন। এর চেয়ে ভালো হবে, আপনি একটা প্রেম করুন, তাহলে অভ্যাসটা ছাড়তে পারে। আর অভ্যাসটা ছাড়ার সাথে সাথে আর কখনও ধুমপান করবেন না।
3010 views

আপনার যখন ধুমপান করার নেশা জাগবে তখন আপনি ধর্মীয় কাজে লেগে যান সেটা হতে পারে হাদিস বা কোরআন পড়তে পারেন।আর ধৈর্য বা মনোবলের কোন বিকল্প নেই এতে।

3010 views

ধুমপানের মারাত্মক কুফল সম্পর্কে জানুন। নিজে থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন। যাদের সাথে আপনি ধুমপান করে থাকেন, তাদের সাথে সময় কম কাটানোর চেষ্টা করুন। তাদেরকে বলুন আপনি সত্যিই ধুমপান করতে চান না। একবারে না ছাড়াতে পারলে আপনি ধুমপানের মাত্রা কমিয়ে দিন। নামাজ পড়ুন, আল্লাহকে ভয় করুন। ধুমপানের ইচ্ছা জাগলে হাটাহাটি করুন। পড়াশুনার মনোযোগ দিন, ঘৃণা জাগিয়ে তুলুন ধুমপানের দিকে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, আপনি নিজে থেকেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হোন আর ধুমপান করবেন না কোন অবস্থাতেই। নিজে বিরত থাকলে এমনিতেই বাদ দিতে পারবেন।

3010 views

প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই সফল হন। সেরকম কিছু কৌশল নিচে উল্লেখ করা হলো-

 ১. ধূমপানের পক্ষ ও বিপক্ষের যুক্তিগুলোর তালিকা তৈরি করুন। তালিকাটি পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের দেখান। অন্যদের যুক্তিগুলোও তালিকাতে যোগ করুন। নিশ্চিতভাবেই বিপক্ষ যুক্তির তালিকা বেশি হবে।
২. ধূমপানের ক্ষতিকর দিকগুলোর লম্বা তালিকা চোখের সামনেই রাখার ব্যবস্থা করুন।
৩. ধূমপানের ক্ষতিকর দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করুন এবং ধূমপান না করার ব্যাপারে নিজেকে উৎসাহিত করুন।
৪. ঠিক কোন কোন সময় আপনি ধূমপান করেন এবং তখন আপনি কী করেন, সেটি নোট করুন। পরবর্তী সময়ে ওই কাজ করার সময় আর ধূমপান করবেন না। সিগারেটের বদলে বাদাম, লজেন্স, চুইংগাম খেতে পারেন।
৫. এক মাস পরের একটি দিন ঠিক করুন। নিজেকে কথা দিন, ওই দিনের পর আর কখনও ধূমপান করবেন না।
৬. সিগারেট না কেনার কারণে প্রতিদিন যে টাকা জমবে তা একটি কাচের পাত্রে রাখুন, যাতে টাকাগুলো বাহির থেকে দেখা যায়। এক মাস পর ওই টাকায় প্রিয়জনকে সুন্দর কিছু দেয়ার পরিকল্পনা করুন।
৭. ধূমপানের সময় হলেই অন্যকিছুতে নিজেকে ব্যস্ত করে ফেলুন। গান শুনুন, কম্পিউটারে গেম খেলুন অথবা টবে লাগানো গাছের পরিচর্যা করুন।
৮. বাড়িতে ধূমপান নিষিদ্ধ করুন, এমনকি অতিথিদের বেলায়ও।
৯. নিজের অগ্রগতির প্রশংসা করুন এবং লক্ষ্য সম্পর্কে আরও স্থির হোন। পরিবারের সদস্যদের উৎসাহিত করতে বলুন।
যেকোনো ধরনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো ইচ্ছাশক্তি। ধূমপানের বিরুদ্ধে নিজের ইচ্ছাশক্তিকে জাগিয়ে তুলুন। আপনার জন্য অপেক্ষা করছে একটি সুস্থ ও সুখী জীবন।
3010 views

ধুমপান সাস্থের জন্য ব্যাপক ক্ষতিকর। তারপরো এটা ত্যাগ করা খুবই কঠিন। আপন চাইলেই এক দিনে এটা ছাড়তে পারবেন না। ধীরে ধীরে সিগারেট খাওয়ার মাত্রাটা কমিয়ে আনুন। এবং সিগারেট ধরানোর সময়েই অর্ধেক ভেঙ্গে ফেলে দিন। এতে করে আপনার সিগারেট খাওয়া হবে অর্ধেক। এরপর মানুষ সাধারনত রাতে খাওয়ার পর সিগারেট বেশি খায়। রাতে খাওয়া শেষে একগ্লাস দুধ খান।এরপর দেখবেন সিগারেট তেতো লাগবে।খাওয়ার ইচ্ছা থাকবে না আর। পকেটে সবসময় চুইং গাম রাখুন। সিগারেট এর নেশা জাগলে একটা চুইং গাম মুখে নিয়ে চিবোতে থাকুন। আস্তে আস্তে দেখবেন বদঅভ্যাসটি কাটিয়ে উঠতে পেরেছেন । ধন্যবাদ।

3010 views

মা - বাবা পরিবার পরিজনকে ভালবাসুন। 

আর উপলব্ধি করতে শিখিন জিনিসটা খারাপ। তখন দেখবেন আপনি আস্তে আস্তে ছেড়ে দিবেন। 

আর সবথেকে বড় কথা নিজেকে ভালবাসুন। 

3010 views

Related Questions