সাস্থ্য মোটা করার সহজ উপায় কি?

আমার বয়স ৩৩ উচ্চা ৫ফিট ৯ইঞ্চ ওজন মাত্র ৬৫ কেজি

আমাকে দেখতে খুবই চিকন পাতলা দেখায়"

প্লিজ ভাই কেউ কি আছেন আমাকে এমন একটা পরামর্শ দিবেন যা থেকে আমি মাত্র ১ মাসেই পরিবর্তন দেখবো।

যদি কোন ইনজেকশন বা অন্যকোন ঔষধ ও হয় প্লিজ জানাবেন.......


3601 views

2 Answers

১ মাসেই পরিবর্তন করতে চাইলে

ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট খেতে হবে, এতে

আপনার কিডনি নষ্ট হয়ে সারা শরীরে পানি

জমে আপনাকে মোটা দেখাবে, আর মোটা হওয়ার

যতো ঔষদ আছে সবগুলোই কিডনি নষ্ট করে

মানুষকে মোটা বানিয়ে দেয়, ঠিক কুরবানীর বাজারে

মোটাতাজা গরুগুলোর মতো, ওই গরুগুলোকেও

কুরবানীর ১/২ মাস আগে থেকে ডেক্সামেথাসন

inj/ tab: খাওয়ানো হয়। অতএব মোটা হওয়ার

জন্য যে কোন প্রকার ঔষদ থেকো বিরত থাকুন।

নিম্নে প্রকৃতিক ভাবে মোটা হওয়ার জন্য কিছু টিপস

দিচ্ছি, মেনে চললে ১০০% কাজ দেবে ইনশাআল্লাহ।

-------------------------------------------------------->

আপনার জন্য রইল ওজন বাড়ানোর ১০টি উপায়:


১. সকালে উঠে বাদাম ও কিসমিস

ওজন বাড়ানোর জন্য বাদাম আর কিসমিসের বিকল্প নেই। রাতে ঘুমাবার সময় অল্প জলে আধ কাপ কাঠ বাদাম ও কিসমিস ভিজিয়ে রাখুন ৷সকালে সেগুলো ফুলে উঠলে খেয়ে নিন।


২. খান প্রচুর শাক সবজি ও ফল

ভাবছেন এগুলো তো ওজন কমাবার জন্য খাওয়া হয়, তাই না? ওজন বাড়াতেও কিন্তু আপনাকে সাহায্য করবে এই ফল আর সবজি। এমন অনেক ফল আর সবজি আছে যারা কিনা উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত। আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি ফল ও সবজি খেলে ওজন বাড়বে।

যদি এইসব না করেও আপনার ওজন না বৃদ্ধি পায়, তাহলে অবশ্যই একজন ভালো ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। কেননা কোনও সুপ্ত অসুখ থাকলেও তার ফলে রুগ্ন ও ভগ্ন স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারেন।


৩. খাবারের পরিমাণ বাড়ান

খাবারের পরিমাণ বাড়ানো মানেই একগাদা খেয়ে ফেলা নয়। আপনি যদি কম খাওয়ার কারণে রোগা হয়ে থাকেন, তাহলে খাবারের পরিমাণ আপনাকে বাড়াতেই হবে। স্বাভাবিকভাবে যা খেয়ে থাকেন, তার ৪ ভাগের ১ভাগ পরিমাণ খাবার বাড়িয়ে খান প্রতিদিন।


৪. বারবার খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন

অনেকেই ভাবেন যে বারবার খেলে বুঝি ওজন বাড়বে। এটা মোটেও সঠিক না। বরং নিয়ম মেনে পেট পুরে খান। পেট পুরে খাওয়া হলে মেটাবলিজম হার কমে যায়, ফলে খাবারের ক্যালোরির অনেকটাই বাড়তি ওজন হয়ে শরীরে জমবে। অল্প অল্প করে বারবার খাওয়াটা মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়, ফলে ওজন কমে।


৫. খাদ্য তালিকায় রাখুন ডুবো তেলে ভাজা খাবার

ডুবো তেলে ভাজা খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে। ফলে সেটা ওজন বাড়াতে সহায়ক। তবে সাথে রাখুন প্রচুর তাজা শাক সবজির স্যালাড।


৬. জিমে যাওয়া অভ্যাস করুন

ভাবছেন জিমে মানুষ যায় ওজন কমাতে, বাড়ানোর জন্য কেন যাবেন? কিন্তু আসল কথাটা হলো, কেবল মোটা হলেই হবে না। সাথে তৈরি করতে হবে সুগঠিত শরীর। আপনি জিমে যাবেন পেশী তৈরি করতে, এবং পুরুষেরা ওজন বাড়াতে চাইলে এই জিমে যাওয়া আসলে খুবই ফলদায়ক। পেশীর ওজন চর্বির চাইতে অনেক বেশী তো বটেই, তাছাড়া ব্যায়ামের ফলে খিদেও পাবে আর মন ভরে খেতে পারবেন। তবে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ট্রেনারের নির্দেশে ব্যায়াম করতে হবে। নাহলে হিতে বিপরীত হবার আশঙ্কা।


৭. খান “ফ্যান” ভাত-

অধিকাংশ মানুষই ভাতের ফ্যান ফেলে দেয়৷ ফ্যান ফেলে দিয়ে ভাতের স্টার্চের অনেকটাই চলে যায় ফ্যানের সঙ্গে। ওজন বাড়াতে চাইলে ভাতের ফ্যান না ফেলাই ভালো। এর ফলে ভীষণ উপকার হবে ওজন বাড়াতে। আতপ চালের ফ্যান ভাত মজাও লাগবে খেতে।


৮. ঘুমাবার ঠিক আগেই দুধ ও মধু

ওজন বাড়াবার জন্য একটা একটা অব্যর্থ কৌশল। রাতের বেলা ঘুমাবার আগে অবশ্যই পুষ্টিকর কিছু খাবেন। ঘুমাবার আগে প্রতিদিন এক গ্লাস ঘন দুধের মাঝে বেশ অনেকটা মধু মিশিয়ে খেয়ে নেবেন।


৯. কমান মেটাবলিজম হার

মোটা হবার পেছনে যেমন ধীর গতির মেটাবলিজম দায়ী, তেমনি রুগ্ন স্বাস্থ্যের পেছনে দায়ী উচ্চ মেটাবলিজম হার। সুতরাং মোটা হতে গেলে প্রথমেই এই মেটাবলিজম হার কমাতে হবে। তাতে আপনি যে খাবারটা খাবেন, সেটা বাড়তি ওজন রূপে আপনার শরীরে জমার সুযোগ পাবে। মেটাবলিজম হার কম রাখার জন্য প্রতিবেলা খাবারের পর লম্বা সময় বিশ্রাম করুন। খাবার পর কমপক্ষে ১ ঘণ্টা কোনও কাজ করবেন না।


১০. খাদ্য তালিকায় যোগ করুন কিছু বিশেষ খাবার

আপনার নিয়মিত খাবারের পাশাপাশি অবশ্যই কিছু উচ্চ ক্যালোরি সম্পন্ন খাবার যোগ করতে হবে খাদ্য তালিকায়, নাহলে ওজন বাড়বে কেন? উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা না থাকলে এই খাবার গুলো খেতে পারেন অনায়াসে। যেমন- ঘি/ মাখন, ডিম, চিজ/ পনির, কোমল পানীয়, গরু-খাসির মাংস, আলু ভাজা, মিষ্টি জাতীয় খাবার, চকলেট, মেয়নিজ ইত্যাদি।


এরপরেও যদি ওজন না বাড়ে তাহলে চিকিৎকের সাহায্যে শরীর পরীক্ষা করে যদি কোনো রোগ পাওয়া যায়, তার চিকিত্সা করাতে হবে। পেটের অসুখ, কৃমি, আমাশয় অথবা কোনো সংক্রামক রোগ থাকলে পর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণ করলেও ওজন কমে যেতে থাকে। অতিরিক্ত ক্লান্ত থাকলেও ক্রমাগত ওজন কমে যেতে থাকে। এমন হলে বিশ্রাম, নিদ্রা ইত্যাদি বাড়িয়ে রোগীকে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসতে হবে।

3601 views Answered

কিছু নিয়ম মাফিক চললে সাস্থ্য বাড়াতে পারবেন ১। পুষ্টিকর, ভিটামিন যুক্ত ফলমূল, শাকসবজি খান ফ্যাট জাতীয় খাবার গ্রহণ করুণ ২.হালকা ব্যায়াম করুন। ৩. পরিমিত ঘুমান, বিশ্রাম নিন ৪. প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন। ৫. দুপুরে ৩,৪টা সিদ্ধ আলু খান, ৬. ভাতের মাট না পেলে দিয়ে সেগুলো খান, ৭. বাদাম, ছোলা, দুধ, ডিম, মুরগীর কলিজা, পনির, লাল আটার রুটি ইত্যাদি নিয়ম অনুযায়ী খেতে হবে ৮.সকালে চিরতা ভিজিয়ে খান ৯. উচ্চ ক্যালরি, উচ্চ শর্করাসম্পন্ন খাবার গ্রহণ করুন, ১০.চিন্তা টেনশন বাদ দিতে হবে। উপরের নিয়ম মেনে চলুন, তাহলে ঘরোয়া উপায়ে শরীর বাড়াতে, সাস্থ্য ঠিক রাখতে পারবেন।

3601 views Answered

Related Questions

Next steps