3 Answers

সুদখোর বা ঘুষখোর বড় কথা নয়। বড় কথা হলো আপনাকে যে খাবারটা খাওয়ানো হবে সেটা হারাম টাকায় কেনা কি না। যদি হারাম টাকায় কেনা হয় তবে খাওয়া জায়েয হবে না। তবে যদি সুদখোর বা ঘুষখোর হালাল টাকা দিয়ে আপানাকে খাওয়ায় তবে তা খাওয়া জায়েয হবে। কারণ একজন সুদখোর বা ঘুষখোরের সব টাকা হারাম হওয়া আবশ্যক নয়। তার হালাল উপার্জনেরও কোনো মাধ্যম থাকতে পারে। বিধর্মীদের ক্ষেত্রেও ঠিক একই কথা। যদি খাবার হালাল হয় তাহলে তা খাওয়া জায়েয হবে। অন্যথায় জায়েয হবে। তবে তাদের সাথে যেন গভীর বন্ধুত্ব সৃষ্টি না হয়ে যায় সেদিকেও লক্ষ রাখতে হবে।

2869 views

সুদখোর ঘুষখোর অথবা বিধর্মীদের বাড়িতে হালাল খাবার খাওয়া জায়েজ। বিধর্মীদের তৈরি হালাল খাবার মুসলমানের জন্য খাওয়া জায়েয। প্রয়োজনে তাদের বাড়িতে খাবার খেতে পারবেন। তবে তাদের জবাইকৃত প্রাণীর গোশত খাওয়া হারাম। আল্লাহ তায়ালা বিধান করে দিয়েছেনঃ অতঃপর যে জন্তুর উপর আল্লাহর নাম উচ্চারিত হয়, তা থেকে ভক্ষণ কর যদি তোমরা তাঁর বিধানসমূহে বিশ্বাসী হও। (সূরা আন'আম আয়াত ১১৮) আল্লাহ তোমাদের জন্য হারাম করেছেন মৃত জন্তু, রক্ত, শূকরের মাংস খাওয়া। আর যে পশু জবাই করার সময় আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নাম নেয়া হয়েছে। রাসুল (সাঃ) হারাম উপার্জন তা খাওয়া কখনো সমর্থনও করেননি। বরং হারাম উপার্জন ত্যাগ করার ভয়াবহতা বর্ণনা করে সতর্ক করেছেন। হারাম পন্থায় জীবিকা উপার্জন থেকেই সুদখোর ঘুষখোরের বাড়িতে খাবার খাওয়ার আয়োজন করলে সেই খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকাই উত্তম।

2869 views

না জায়েজ হবে না।কারণ সুদঘুসখোরের বাড়িতে খেলে হারাম টাকার হারাম মাল খাওয়া হলো।আর বিধর্মীদের বাড়িতে দাওয়াত খাওয়া জায়েজ নেই।(মাসয়ালা)

2869 views

Related Questions