5 Answers

প্রতিবার হাচিঁ দিলে শরীর থেকে প্রায় দুই-তিন হাজার রোগ জীবানু দূর হয়। হাচিঁর ফলে নানা ধরনের রোগজীবানু দূর হওয়ায় ঐ রোগ শরীরে বাসা বাধঁতে পারে না। হাচিঁ দেওয়ার পর "আলহামদুলিল্লাহ" বলতে হয় এবং যে হাচিঁ শুনতে পায় তাকে "ইয়ারহামুকুল্লাহ" বলতে হয়। হাচিঁ আটকে রাখলে বিভিন্ন আভ্যন্তরীন ক্ষতি হতে পারে।

3494 views Answered

>> হাঁচি দিলে বলতে হয়---
اَلْحَمْدُ لِلَّهِ উচ্চারণঃ আলহামদু লিল্লাহ।
অথবা ইহা বলিবেঃ  اَلْحَمْدُلِلَّهِ عَليَ كُلِّ حَالٍ   উচ্চারণঃ আলহামদু লিল্লাহি আলা কুল্লি হাল।
অথবা ইহা বলিবেঃ   اَلْحَمْدُلِلَّهِ حَمْدًا كَثِيْراًطيِّبًا مْبَارَكًا فِيْهِ مْبَارَكًا عَلَيْهِ كَمَا يُحِبُّ رَبُّنَاوَيَرْضَىَ
উচ্চারণঃ আলহামদু লিল্লাহে হামদান কাছীরান তৈয়্যেবান মুবারাকান ফীহে মুবারাকান আলাইহে কামা ইউহিব্বু রাব্বুনা ওয়া ইয়ারদা।

>> কেহ হাঁচি দিলে (যদি সেاَلْحَمْدُلِلَّهِ বলে ) তার উত্তরে বলবে-
يَرْحَمُكَ اللهُ   উচ্চারণঃ ইয়ার হামুকাল্লাহ।

>> হাঁচি দাতা উত্তর দাতার يَرْحَمُكَ اللهُ শুনে উত্তরে বলবে-
يَهْدِيْكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحْ بَالَكُمْ   উচ্চারণ- ইয়াহদি কুমুল্লাহু ওয়া ইউস্লিহ বালাকুম।

>> হাই আসিলে এই দু’আ পড়বে-
لاَحَوْلَ وَلاَقُوَّةَ اِلاّبِاللهِ الْعَلِىِّ الْعَظِيْمِ
উচ্চারণঃ- লা-হাওলা ওয়ালা-কুওয়্যাতা ইল্লা-বিল্লা-হিল্ আলিয়্যিল্ আযীম।
3494 views Answered

হাঁচি আসলে আলহামদুলিল্লাহ পড়বেন..

3494 views Answered

হাঁচির উপকারিতা হলো হাঁচি দিলে দেহের রোগজীবাণু বেরিয়ে যায় প্রচুর পরিমানে। হাঁচি আটকে রাখলে মস্তিষ্কের ওপর চাপ পড়ে আর রোগজীবাণু গুলো বের হতে পারে না । হাঁচির জবাবে আলহামদুলিল্লাহ বলতে হয়। 

3494 views Answered

★হাঁচির উপকারিতা:
ইউরোপের এক খ্রিস্টান ডাক্তার মুসলমানদের হাঁচি নিয়ে গবেষণা করছিলেন যে, মুসলমানরা হাঁচির পর 'আলহামদুলিল্লাহ্' পড়ে কেনো? সাধারণত কোনো সুসংবাদ পেলে মুসলমানরা আলহামদুলিল্লাহ্ পড়ে। হাঁচিতে কিসের সুসংবাদ? অনেক গবেষণার পর তিনি তথ্য উদঘাটন করলেন যে, একটি হাঁচির সাথে মানুষের শরীর থেকে ৩ হাজার রোগ-জীবাণু বেরিয়ে যায় আর মানুষ স্বাভাবিক অবস্থায় একসাথে দু'টি হাঁচি দেয়। এভাবে দু'টি হাঁচির সাথে ৬ হাজার রোগ-জীবাণু বেরিয়ে যায়। তিনি ভাবলেন যে, "এ তথ্য বের করতে আমার অন্তত ২০ বত্‍সর লেখাপড়া করতে হয়েছে এবং আরো কতো যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়েছে। কিন্তু যে যুগে মুসলমানদের নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) তাঁর অনুসারীদের এ শিক্ষা দিয়ে গেছেন, সে যুগেতো এতো মেশিন ছিলো না আর তিনি তো কখনো দুনিয়ার কারো কাছে লেখাপড়াও শিখেন নি। তিনি এগুলো জানলেন কিভাবে? নিশ্চয়ই তিনি সত্য নবী। আল্লাহ্ পাক তাঁকে জানিয়েছেন বিধায় তিনি তাঁর উম্মতদেরকে এ শিক্ষা দিয়ে গেছেন যে, হাঁচির পর 'আলহামদুলিল্লাহ্' পড়বে। অতএব, তিনি সত্য নবী।"
ফলশ্রুতিতে ঐ খ্রিস্টান ডাক্তার একা নয় বরং স্বপরিবারে মুসলমান হয়ে গিয়েছিলেন। সুবহানাল্লাহ্।
"নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য দ্বীন একমাত্র ইসলাম।"
(সূরাঃ আল-ইমরান, আয়াতঃ ১৯)
★শরীরের অন্যতম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হাঁচি। জোর করে হাঁচি আটকাবেন না, এতে ঝুঁকির কারন হতে পারে। হাঁচি সত্যিই মঙ্গলকারক। হাঁচি আমাদের গুরুতর কোনো সংক্রমন থেকে রক্ষা করে। অন্যের সামনে হাঁচি দেয়াটা অস্বস্তিকর হতে পারে, কিন্তু কখনো হাঁচি দিতে ভুল করবেন না।
★হাঁচি আটকালে যেসব ভয়ঙ্কর বিপদ হতে পারে:
১◆হাঁচির মাধ্যমে নাক দিয়ে ঘন্টায় ১৬০ কিঃ মিঃ বেগে বাতাস বের হয়। জোর করে হাঁচি আটকালে সেই চাপ কানে যায়। ফলে কানের পর্দা ফেটে পর্যন্ত যেতে পারে।
২◆হাঁচি আটকালে শ্রবণ শক্তির ক্ষতির পাশাপাশি মাথা ঘোরার সমস্যা হয়, যা খুব তাড়াতাড়ি ঠিক হয় না।
৩◆হাঁচি আটকালে চোখের সূক্ষ্ম শিরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। চাপের ফলে শিরা ফেটে পর্যন্ত যেতে পারে।
৪◆হাঁচির আচমকা দমকা বাতাস আটকালে ঘাড়ের আঘাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়। সাইনাসের সমস্যা থাকলে আরো বিপজ্জনক।
৫◆হাঁচির ফলে শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বের হয়ে যায়। হাঁচি আটকালে এই ব্যাকটেরিয়া শরীরে থেকে রোগ সৃষ্টি করে।
৬◆হাঁচি আটকালে সব থেকে মারাত্মক বিপদ হচ্ছে মস্তিষ্কের শিরা ছিঁড়ে স্ট্রোক হতে পারে।
৭◆হাঁচির মাধ্যমে শরীরে আটকে থাকা ধোঁয়া ও গ্যাস বের হয়ে যায়, যা শরীরের জন্য উপকারী। হাঁচি দেয়ার পর শরীর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। তাই কারো সামনে হাঁচি এলে লজ্জা পাবেন না। হাঁচি আটকালে আপনাকে যে মূল্য দিতে হবে, তা অপূরণীয়। বরং রুমাল হাতে রাখুন এবং হাঁচি দিন।
★হাঁচির দোয়া: কেউ হাঁচি দিলে তাকে 'আলহামদুলিল্লাহ্' পড়তে হবে। আর হাঁচি দিয়ে 'আলহামদুলিল্লাহ্' বললে কেউ যদি তা শুনে, তাহলে শ্রোতাকে 'ইয়ারহামুকাল্লাহ্' বলতে হবে।

3494 views Answered

Related Questions

Next steps