3 Answers
পঁাচ ওয়াক্ত নামাজ জমাতে পড়ুন। সব সময় সত্য কথা বলুন। বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা করুন।অগ্রিম দূ:চিন্তা পরিহার করুন। সময় মতো খানা পিনা করুন। সকাল সকাল ঘুমান এবং ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠুন এভাবে চলতে থাকুন, দেখবেন সদা হাসি খুশি থাকতে পারবেন।
এটি আপনার মন মানসিকতার উপর নির্ভর করে। অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকবেন। সবাইকে সম্মান করবেন, ভালোবাসবেন, অপরের অনুভূতি গুলোকে সম্মান করবেন। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলবেন। এগুলোই যতেষ্ট
মানব হৃদয়কে আরবী ভাষায় কলব বলা হয়। কলবের শাব্দিক অর্থ হলো, পরিবর্তন। অর্থাৎ মানব হৃদয় নানা কারণে পরিবর্তনশীল। মানসিক পরিবর্তনের এ ভাবধারা দিয়েই আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং দুঃখ বেদনা ও আপদ বিপদে দুঃখিত হওয়া এবং সুখ আনন্দে আনন্দিত হওয়া এগুলো অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু নয়। বরং নিয়তের তারতম্যে এগুলো ইবাদতে পরিণত হয়। সারকথা সবসময় হাসি খুশি থাকা বা থাকতে চাওয়াটাও আবার ভালো জিনিস নয়। সামাজিক বা পারিবারিক নানা ঘটনা দুর্ঘটনায় আপনি হাসি খুশি থাকতে পারবেন না। সে সময় হাস খুশি থাকার চেষ্টা করা হলে সমালোচিত হতে হবে। অন্যের দুঃখে দুঃখিত না হবার দুর্নাম তো আছেই। উপরন্তু পবিত্র কুরআনে আল্লা বলছেন, তারা যেন কম কম হাসে এবং বেশি বেশি কাঁদে। সূরা তাওবা ৪২। সারকথা আল্লাহর ভয়ে যদি সবসময় হাসি খুশি না থাকা হয় তাহলে সেটা দোষের কিছু নয়। বরং প্রশংসার্হ ব্যাপার। তবে জাগতিক দুশ্চিন্তামুক্ত থাকার জন্য চেষ্টা করা যেতে পারে। এবং মনে আনন্দ জাগরণের জাগরণের চেষ্টা করা যেতে পারে। এর একমাত্র উপায় হলো, তাকদীরে বিশ্বাস রাখা এবং জীবনের সর্বক্ষেত্রে স্রষ্টাবিধি মেনে চলা। এগুলো করা হলে আশা করি জাগতিক টেনশন থেকে মুক্ত থাকা যাবে। আল্লাহ আপনাকে জাগতিক দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত হয়ে পুণ্যময় নির্মল হাসি খুশিভাবে জীবন যাপন করার তাওফীক দান করুন।