3 Answers

কুরবানি হলো ওয়াজিব, আর ঐ ব্যাক্তির উপর কুরবানি ওয়াজিব যে নিছাব পরিমান সম্পদের মালিক,ওয়াজিব পালনের জন্য কুরবানি করা হয়।

3523 views Answered

কোরবানির মূল বিষয় হচ্ছে উৎসর্গ। কুরবা থেকে কোরবানি। কুরবা অর্থ নৈকট্য। কোরবানি অর্থ ত্যাগ। অর্থাৎ ত্যাগটাকে আমি কতটা আন্তরিকতার সাথে করতে পারি। নিজের সামান্য ইচ্ছাকে ত্যাগ করাও কোরবানি। কিন্তু সব চেয়ে বড় কোরবানি হচ্ছে আত্মজ কিছু ত্যাগ করা। যে জিনিসের সাথে আমার আত্মার সম্পর্ক , তাকে ত্যাগ করা মানে সর্বোচ্চ ত্যাগ। সেই সর্বোচ্চ ত্যাগ করার জন্যই তো এই ধর্মীয় নির্দেশ এসেছিল। আর যুগে যুগে কালে যারা যত বিলিয়ে দিতে পেরেছেন ত্যাগ করতে পেরেছেন তাঁরাই অনন্ত প্রশান্তি ও সম্মান লাভ করেছেন।

সামর্থবান‌দের জন্য ঈদুল অাজহায় পশু কোরবা‌নি করা ওয়া‌জিব তাই এই দি‌নে কোরবা‌নি কর‌তে হয়।

3523 views Answered
কুরবানী কি ও কেন?


হজরত ইসমাইল আলাইহিস সালাম যখন চলাফেরা করার বয়সে উপণীত হলেন; তখন হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম তাঁর প্রাণপ্রিয় সন্তানকে আল্লাহর রাস্তায় কুবানির জন্য স্বপ্নে আদিষ্ট হন। আর নবিদের স্বপ্নও কোনো কল্পনা প্রসূত ঘটনা নয় বরং তা ‘ওহি’ বা আল্লাহর প্রত্যাদেশ।তখন হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম পুত্র ইসমাইলকে বললেন, ‘হে ছেলে! আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, তোমাকে জবেহ করছি। এ বিষয়ে তোমার অভিমত কি?সে (হজরত ইসমাইল আলাইহিস সালাম) বলল, ‘পিতা! আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, আপনি তা পালন করুন। আল্লাহর ইচ্ছায় আপনি আমাকে ধৈর্যশীলদের মধ্যে পাবেন।’ (সুরা সাফফাত : আয়াত ১০২)

৯৯ বছরের বৃদ্ধ হজরত ইবরাহিম আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার প্রাণপ্রিয় পুত্রকে আত্মনিবেদনে আল্লাহ তাআলা যে পরীক্ষার সম্মুখীন করেছিলেন। আর তিনিও মিনা প্রান্তরে প্রাণাধিক সন্তানকে কুরবানির যে নির্দেশ পালন করেছিলেন।আল্লাহর বিধান বাস্তবায়নে তাঁর মানসিকতা আল্লাহর নিকট কবুল হয়েগিয়েছিল। যা আজও মুসলিম উম্মাহ প্রতিবছর জিলহজ মাসের ১০ থেকে ১২ তারিখ এ তিন দিনের যে কোনো একদিন পালন করে থাকেন।

কুরবানী করা প্রত্যেক সামার্থ্যবান মুসলমানের জন্য ওয়াজিব।

3523 views Answered

Related Questions

Next steps