1 Answers

দৃশ্যকল্প-১ এর মিতু ও সেতু সরকারি আইনের অন্তর্ভুক্ত ফৌজদারি আইনের সহায়তায় অধিকার ফিরে পেলেন।
রাষ্ট্র সম্পর্কিত আইনের একটি ধরন হলো ফৌজদারি আইন। রাষ্ট্রের বিচার বিভাগের কাজ পরিচালনার জন্য এ ধরনের আইন প্রণয়ন করা হয়। সমাজে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা, শান্তি বজায় রাখা, ব্যক্তির অধিকার নিশ্চিত করা এবং দন্ড দেয়ার জন্য ফৌজদারি আইন প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। কোনো কারণে ব্যক্তির অধিকার ভঙ্গ হলে এ আইনের সাহায্যে তার অধিকার রক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মায়ের মৃত্যুর পর দুই বোন মিতু ও সেতু মামাদের কাছে নানার সম্পত্তিতে মায়ের অংশ দাবি করেন। তারা মোটের ওপর কয়েক বিঘা সম্পত্তি দিতে চাইলে দুই বোন তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান এবং জেলা জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের রায়ের মাধ্যমে তারা তাদের মায়ের সম্পত্তির সঠিক অংশ পান। যেহেতু ফৌজদারি আইন ব্যক্তির অধিকার ভঙ্গ হলে তা রক্ষার ব্যবস্থা করে, সেহেতু বলা যায় দৃশ্যকল্প-১ এর মিতু ও সেতু সরকারি আইনের অন্তর্ভুক্ত ফৌজদারি আইনের ভিত্তিতেই তাদের অধিকার ফিরে পেলেন।

5 views

Related Questions

যুদ্ধ, নিপীড়ন, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বাঁচতে আজ সারা বিশ্বে ৮ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। বাস্তুচ্যুত মানুষের এ সংখ্যাা বাংলাদেশের জনসংখ্যা র প্রায় অর্ধেক । সারা বিশ্বের বাস্তুচ্যুতির প্রধান পাঁচটি উৎসদেশের একটি হচে।ছ মায়নমার। সেখান থেকে ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় দেয়। এই শরণার্থীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়: কিনুত তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা – এসব কিছুই সম্ভব নয় আন্তর্জাতিক মহলের একট সার্বিক উদ্যোগ ছাড়া। তার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ তাদের সুরক্সা, সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নোয়াখালীর ভাসানচরে তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা একটি স্বতন্ত্র আবাসস্থল নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রত্যেক শরণার্থীর রয়েছে ব্যক্তিগত দুঃখ –কষ্ট , বঞ্চনা ও যন্ত্রণার ইতিহাস। বাংলাদেশে আশ্রিত এসব রোহিঙ্গা নিয়মিত সংগ্রাম করে যাচ্ছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তারা আশাবাদী, একদিন তারা নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যেতে পারবে। (Translate to English)
1 Answers 8 Views
মানবাধিকার হচ্ছে সেসব অধিকার যা জাতীয়তা, লিঙ্গ, বর্ণ, ধর্ম, ভাষা অথবা অন্য যে কোন অবস্থান নির্বিশেষে মানুষের নিকট অন্তর্নিহিত। বস্তুতঃ মানবাধিকার বলতে কিছু নৈতিক রীতিনীতি বা নিয়ম যা মানব আচরণের নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ডগ্র বোঝায়। আন্তর্জাতিক আইনে মানবাধিকারকে আইনগত অধিকার হিসেবে রক্ষা করা হয়। এই পৃথিবীতে প্রতিটি অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এই অধিকারগুলোকে মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে গণ্য করা হয়। আমাদের দেশের বহু মানুষ মৌলিক মানবাধিকারসমূহ থেকে বঞ্চিত। আমাদের দরিদ্র শিশুরা বলেন স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। অনেক পথশিশু রয়েছে যারা আশ্রয়হীন। এইসব ছোটছোট বাচ্চাদেরকে বেঁচে থাকার জন্য অর্থ উপার্জন করতে হয়। এ ধরনের পরিস্থিতি শিশুশ্রম বৃদ্ধি করে। (Translation: Bangla to English)
1 Answers 6 Views