1 Answers
উদ্দীপকে পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্যের উপস্থিতি নির্ণয়ের জন্য গ্লাস পরীক্ষা দেখানো হয়েছে।
পুকুরে পোনা মজুদের পূর্বেই সার প্রয়োগের ৫-৭ দিন পর পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরি হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে হয়। এ ধরনের কয়েকটি পরীক্ষার মধ্যে গ্লাস পরীক্ষা অন্যতম।
মাছ চাষে সফলতা লাভের জন্য সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করা প্রয়োজন।
শুধু সঠিকভাবে পুকুর খনন ও অন্যান্য গুণাগুণ যথাযথভাবে রক্ষা করে মাছ চাষে সফল হওয়া সম্ভব নয়। পুকুরে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাদ্যের উপস্থিতি নিশ্চিত করা মাছ চাষে সফলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
চিত্রের গ্লাস পরীক্ষার মাধ্যমে জানা সম্ভব পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে কিনা। যদি এ পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা যায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাদ্য পুকুরে নেই, তবে সার প্রয়োগের মাধ্যমে প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদনের ব্যবস্থা করতে হবে। ফলে প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদিত হয়ে পুকুরে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
সুতরাং, পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্যের সঠিক পরিমাণ বজায় রাখার ক্ষেত্রে পরীক্ষাটি সঠিক তথ্য প্রদানের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে ভূমিকা রাখে। তাই এ পরীক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।