1 Answers

জনাব মাসুদ সাহেবের মতানুযায়ী বলা যায়, মানুষের সামাজিক জীবনে পরিবারের প্রভাব ব্যাপক।
জনাব মাসুদ সাহেব মনে করেন, সমাজভেদে পরিবারের ধরন পরবর্তিত হয়। তবে সব ধরনের পরিবারই মানুষের সামাজিক জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে। তার এরূপ বক্তব্যে সামাজিক জীবনে পরিবারের প্রভাবের দিকটিই প্রকাশিত হয়েছে।
পরিবারের সদস্যদের সুন্দর ও নিরাপদ জীবন গড়ে তোলার জন্য পরিবার বহুবিধ কাজ সম্পাদন করে। যেমন- আমাদের মা-বাবা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার ফলেই আমরা জন্মগ্রহণ করেছি এবং তাদের দ্বারা লালিত- পালিত হচ্ছি। অতএব, সন্তান জন্মদান ও লালন-পালন করা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এছাড়া একটি শিশু বিদ্যালয়ে যাওয়ার পূর্বেই পরিবার থেকেই বর্ণমালার সাথে পরিচিত হয়। আবার, মা-বাবা, ভাই-বোন ও পরিবারের অন্য সদস্যদের পারস্পরিক সহায়তায় সততা, শিষ্টাচার, উদারতা, নিয়মানুবর্তিতা ইত্যাদি মানবিক গুণাবলির শিক্ষা লাভের প্রথম সুযোগ পরিবারেই সৃষ্টি হয়। যা আমাদের মানসিক দিককে সমৃদ্ধ করে। আবার, পরিবারের সদস্যদের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা প্রভৃতি চাহিদা পূরণের দায়িত্ব পরিবারই পালন করে। পরিবারের অভিভাবকেরা বুদ্ধি, বিবেক ও আত্মসংযমের শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে আমাদের সুনাগরিক হতে সাহায্য করে। পরিবারের এসব কাজ সমাজে সবার সাথে মিলেমিশে চলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

5 views

Related Questions

পৃথিবীর ধনী দেশগুলোতে অসমতার বিস্ফোরণ ঘটেছে তা ঠিক, কিন্তু গত কয়েক দশকে যে গরিব মানুষের জীবনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে তা-ও বলা দরকার। ১৯৮০ থেকে ২০১৬ সাল এই সময়ের আয়ের নিরিখে নিচের দিকে থাকা ৫০ শতাংশ মানুষের আয় দ্বিগুণ হয়েছে। ১৯৯০ সালের পর দরিদ্র মানুষের সংখ্যাও অর্ধেক কমেছে। ইতিহাসের আর কোন সময়ে এত মানুষ এত অল্প সময়ে দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসেনি। জীবনমানের উন্নতিও হয়েছে ব্যাপক। এমনকি যারা এখনও গরিব, তাদের জীবনেও একথা প্রযোজ্য। ১৯৯০ এর দশকের পর সারা বিশ্বে সন্তান জন্মদানের সময় মৃত্যুহারের অর্ধেক কমেছে। নবজাতকের মৃত্যুর হারও একইভাবে কমেছে এবং এতে দশ কোটি বেশি শিশুর জীবন রক্ষা পেয়েছে। আজ যেসব দেশে বড় ধরনের সামাজিক গোলযোগ নেই, সেইসব দেশের প্রায় সব শিশুই প্রাথমিক শিক্ষা পাচ্ছে। (Translate into English)
1 Answers 4 Views