1 Answers

উদ্দীপকে N অংশে উল্লিখিত লক্ষণ দ্বারা নির্দেশিত রোগটি হলো ডায়াবেটিস। ডায়াবেটিস রোগটি সাধারণত বংশগত কারণে হয়ে থাকে। নিচে যুক্তিসহকারে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

অগ্ন্যাশয় হতে নিঃসৃত ইনসুলিন হরমোন দেহের শর্করা পরিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। অগ্ন্যাশয়ে যদি প্রয়োজনমতো ইনসুলিন তৈরি না হয় তবে রক্তে শর্করার পরিমাণ স্থায়ীভাবে বেড়ে যায়, প্রস্রাবের সাথে গ্লুকোজ নির্গত হয়। এ অবস্থাকে বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস মেলিটাস বলে। এ রোগটি সাধারণত বংশগত কারণে হয়ে থাকে। এটি সংক্রামক বা ছোঁয়াচে রোগ নয়। রক্ত ও প্রস্রাবে গ্লুকোজের মাত্রা পরিমাণের চেয়ে বেড়ে গেলে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। লক্ষণগুলো হলো ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, অধিক পিপাসা লাগা, ক্ষুধা বেড়ে গেলে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। ছোট বড় সব বয়সে এ রোগ হতে পারে। তবে যারা কায়িক পরিশ্রম করেন না, দিনের বেশির ভাগ সময় বসে কাজ করেন অথবা অলস জিবন যাপন করেন তাদের ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষের একটি নির্দিষ্ট জিন ইনসুলিন তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এই জিনের অনুপস্থিতিতে দেহে ইনসুলিন তৈরি হয় না, ফলে ডায়াবেটিস রোগ সৃষ্টি হয়। পিতা- মাতার ডায়াবেটিস থাকলে অর্থাৎ তাদের দেহে ইনসুলিন তৈরির জিন না থাকলে যৌন জননের মাধ্যমে নতুন বংশধরের মধ্যে তার স্থানান্তর ঘটে না। এ কারণে বলা হয় ডায়াবেটিস সাধারণত বংশগত কারণে হয়ে থাকে।

4 views

Related Questions