1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত চার্টের-২ নম্বর দ্বারা ঘাট গম্বুজ মসজিদকে নির্দেশ করা হয়েছে। এ মসজিদটি জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্বসভ্যতার নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত।

ষাট গম্বুজ মসজিদ সুলতানি আমলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্যকর্ম। বাংলায় মুসলমান শাসনকালের গৌরব বৃদ্ধিতে বর্তমান বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত ষাট গম্বুজ মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম। তুর্কি সেনাপতি ও ইসলামের একনিষ্ঠ সাধক উলুখ খান জাহান পনেরো শতকের মাঝামাঝি সময়ে এটি নির্মাণ করেন। তিনি খান জাহান আলী নামেই পরিচিত। তার সমাধির তিন মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে ষাট গম্বুজ মসজিদ অবস্থিত। অবশ্য এর গম্বুজ ঘাটটি নয়, বরং সাতাত্তরটি। বহু বছর ধরে ও বহু অর্থ ব্যয়ে এটি নির্মিত হয়েছিল। এর পাথরগুলো আনা হয়েছিল বর্তমান ঝাড়খণ্ডের রাজমহল থেকে। মসজিদটিতে তুঘলকি ও জৈনপুরী নির্মাণশৈলী সুস্পষ্ট। এ স্থাপত্যকর্মটির নাম ১৯৮৩ সালে জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্বসভ্যতার নিদর্শনের (ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ) তালিকায় উঠেছে।

উপরের আলোচনা শেষে বলা যায়, ষাট গম্বুজ মসজিদের নির্মাণশৈলী, এর প্রাচীনত্ব, ঐতিহ্য এবং তৈরির প্রেক্ষাপট প্রভৃতির বিচারে এটি বিশ্বসভ্যতার নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

8 views

Related Questions