1 Answers

উক্ত শাসক অর্থাৎ গোপালের পরবর্তী বংশধর ধর্মপালই ছিলেন তার বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক।

পাল সাম্রাজ্যের উত্থান ও এর প্রতিপত্তি বিস্তারে ধর্মপালের অবদান সর্বাধিক। পাল রাজাদের মধ্যে তিনিই ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ। বাংলা ও বিহারব্যাপী তার শাসন প্রতিষ্ঠিত ছিল। ধর্মপালের অধীনেই বাংলা সর্বপ্রথম উত্তর ভারতীয় রাজনীতিতে সফলতা লাভ করেছিল।

ধর্মপাল নিজে বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী হলেও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের প্রতি তার কোনো বিদ্বেষ ছিল না। তার আমলে অনেকগুলো বৌদ্ধ বিহার বা মঠ নির্মিত হয়। এগুলোর মধ্যে 'বিক্রমশীল বিহার', পাহাড়পুরের 'সোমপুর বিহার' উল্লেখযোগ্য। বৌদ্ধ বিহার নির্মাণের পাশাপাশি তিনি অন্য ধর্মের লোক যেন নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারে সেদিকে লক্ষ রাখতেন। নারায়ণের একটি হিন্দু মন্দিরের জন্য তিনি করমুক্ত ভূমি দান করেছিলেন। ধর্মপাল প্রায় ৪০ বছর রাজত্ব করেছিলেন। অর্ধশতক পূর্বে যে দেশ অরাজকতা ও অত্যাচারের লীলাভূমি ছিল, তার নেতৃত্বে সে দেশ সহসা উত্তর ভারতে প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিল। পাল বংশের শাসকদের মধ্যে ধর্মপাল সর্বোচ্চ সার্বভৌম উপাধি পরমেশ্বর, পরমভট্টারক মহারাজাধিরাজ উপাধি ধারণ করেছিলেন।

উপরের আলোচনার পরিশেষে তাই বলা যায়, ধর্মপাল ছিলেন পাল বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক।

5 views

Related Questions

মাতৃভাষা মানুষের সবচেয়ে প্রিয় এবং তা মনোভাব প্রকাশের জন সবচেয়ে বেশি উপযোগী । অন্য কোন ভাষায় মনোভাব প্রকাশ করে পরিপূর্ণ আনন্দ পাওয়া যায় না। প্রথিবীতে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য অসংখ্য ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেক জাতির মাতৃভাষার নিজস্ব একটা বৈশিষ্ট্য আছে এবং মাতৃভাষার সাঙ্গে এমন একটি আত্মিক সম্পর্ক থাকে যে, সেই ভাষাই তার মনোভাব প্রকাশের সর্বোত্তম বাহন হিসেবে বিবেচিত হয়। বিদেশী ভাষা কষ্টে আয়ত্ত করা গেলেও তার মর্ম যথার্থ উপলব্ধি করা যায় না িএবং তাতে মনোভাব প্রকাশেরর যথেষ্ট অন্তরায় থাকে। তাই পৃথিবীতে অসংখ্য ভাষার মধ্যে মাতৃভাষাই সবচেয়ে আপনি এবং মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ পন্থা। বাঙালিদের কাছে বাংলা ভাষাই মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। কারণএটি বাঙালির মাতৃভাষা । বাঙালির রক্তে মাংসে মজ্জায় বাংলা ভাষা মিশে আছে। বাঙালিরা পরভাষা চর্চা করে বেট, কিন্তু বাংলাতেই তার যত স্বচ্ছন্দ্য। (Translation Bengali to English)
1 Answers 6 Views