1 Answers

সানার গায়ের রং ফর্সা হলেও সে ছিল স্থূল গড়নের। সে কৃষকায় গড়নের সাবার মতো নীল রঙের শাড়ি পরলেও কেউ তার প্রতি অতিরিক্ত আগ্রহ দেখায়নি। 

পরিধানকারীর দেহত্বকের ওপর পোশাকের রঙের প্রভাব অনেক বেশি। তাই পোশাকের রং এমনভাবে নির্বাচন করতে হবে যাতে দেহত্বক বাহ্যিক দৃষ্টিতে আরও সুন্দর হয়ে ওঠে।

রং পরিবর্তনের মাধ্যমে ব্যক্তিকে বাহ্যিক দৃষ্টিতে স্থূল ও কৃষকার হিসেবে উপস্থাপন করা যায়। স্থূল ব্যক্তির গাঢ় রঙের পোশাক পরলে আরও মোটা দেখায়। এধরনের ব্যক্তির জন্য সাধারণত হালকা রঙের পোশাক মানানসই। সাবার গায়ের রং ফর্সা হলেও সে ছিল পাতলা গড়নের। তাই নীল রঙের শাড়ি তাকে খুব মানায়। কিন্তু সানা সাবার তুলনায় মোটা। তাই নীল শাড়িতে সবাই সাবার প্রশংসা করলেও সানা তেমন কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেনি।

সুতরাং বলা যায় যে, নীল রঙের শাড়ি পরায় সানাকে দেখতে আরো স্থূল ও খর্বকায় লাগায় পোশাকটি তার ব্যক্তিত্বের অন্তরায় ছিল।

5 views

Related Questions

মাতৃভাষা মানুষের সবচেয়ে প্রিয় এবং তা মনোভাব প্রকাশের জন সবচেয়ে বেশি উপযোগী । অন্য কোন ভাষায় মনোভাব প্রকাশ করে পরিপূর্ণ আনন্দ পাওয়া যায় না। প্রথিবীতে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য অসংখ্য ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেক জাতির মাতৃভাষার নিজস্ব একটা বৈশিষ্ট্য আছে এবং মাতৃভাষার সাঙ্গে এমন একটি আত্মিক সম্পর্ক থাকে যে, সেই ভাষাই তার মনোভাব প্রকাশের সর্বোত্তম বাহন হিসেবে বিবেচিত হয়। বিদেশী ভাষা কষ্টে আয়ত্ত করা গেলেও তার মর্ম যথার্থ উপলব্ধি করা যায় না িএবং তাতে মনোভাব প্রকাশেরর যথেষ্ট অন্তরায় থাকে। তাই পৃথিবীতে অসংখ্য ভাষার মধ্যে মাতৃভাষাই সবচেয়ে আপনি এবং মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ পন্থা। বাঙালিদের কাছে বাংলা ভাষাই মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। কারণএটি বাঙালির মাতৃভাষা । বাঙালির রক্তে মাংসে মজ্জায় বাংলা ভাষা মিশে আছে। বাঙালিরা পরভাষা চর্চা করে বেট, কিন্তু বাংলাতেই তার যত স্বচ্ছন্দ্য। (Translation Bengali to English)
1 Answers 6 Views