1 Answers

বেশি আঁশযুক্ত খাদ্য যেমন- শাকসবজি ও ফল বিশেষ করে টকজাতীয় ফল যেমন- লেবু, জাম্বুরা, কমলা, আনারস ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। সাদা চাল ও সাদা আটার চেয়ে লাল চালের ভাত ও গমের ভূসিসহ আটার রুটি বেশি উপকারী। মাছ, চর্বি ছাড়া মাংস, ডিম প্রয়োজনীয় পরিমাণে খাওয়া যাবে। ডাল, বাদাম খাওয়া যাবে। ননী তোলা দুধ ও এই দুধের তৈরি টকদই খাওয়া। রান্নায় লবণ কম দিতে হবে এবং খাওয়ার সময় বাড়তি লবণ খাওয়া যাবে না। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাদ্য শক্তি গ্রহণ করা যাবে না।

5 views

Related Questions