1 Answers

মায়ার বয়সী অর্থাৎ কিশোরী মেয়েদের পুষ্টি চাহিদা পূরণ না হলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। 

কিশোর বয়সে বর্ধনের গতি বৃদ্ধির কারণে শক্তির চাহিদা বাড়ে। এছাড়া প্রোটিন, ভিটামিন ও ধাতব লবণের চাহিদাও বাড়ে। পেশির গঠন, দাঁত, হাড়, রক্ত গঠন ইত্যাদির জন্য বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের চাহিদা কিশোর বয়সে বেশি হয়।

মায়া একজন কিশোরী। তার বয়সী মেয়েদের জন্য পর্যাপ্ত কিলোক্যালরি বা শক্তিসমৃদ্ধ ও প্রোটিন জাতীয় খাদ্য গুরুত্বপূর্ণ। এর অভাবে তার শারীরিক বর্ধন ব্যাহত হবে।

ভিটামিন ও ধাতবলবণ সমৃদ্ধ খাদ্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মায়ার বয়সী কিশোরীরা যদি ভিটামিন ও ধাতব লবণ পরিমাণমতো গ্রহণ না করে তাহলে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হবে না। কিশোরীরা যদি ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি গ্রহণ না করে তাহলে তাদের দাঁত ও হাড়ের গঠন ব্যাহত হবে। কিশোরী মেয়েদের লৌহ ও ফলিক এসিড বেশি প্রয়োজন। কারণ, মেয়েদের মাসিকের জন্য প্রতিমাসে যে রক্তের অপচয় ঘটে তার পরিপূরণের জন্য অর্থাৎ রক্ত গঠনের জন্য ফলিক এসিড ও লৌহ প্রয়োজন। মায়ার বয়সী মেয়েরা যদি সঠিক পরিমাণে লৌহ ও ফলিক এসিড গ্রহণ না করে তাহলে তাদের দেহের রক্ত গঠন বিঘ্নিত হবে। এছাড়া মায়ার বয়সী মেয়েদের দেহ ত্বকের ও চোখের সুস্থতার জন্য ভিটামিন এ, বি ও সি সমৃদ্ধ খাদ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

5 views

Related Questions