1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত সামাজিক পরিবর্তনের ভূমিকার দ্বারা নারীদের অধিকার ও ক্ষমতায়নের পথ সুগম করেছে।
সামাজিক পরিবর্তনে সর্বত্র নারীর ক্ষমতায়ন এবং মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উদ্দীপকের আলোচনায় এমন বিষয়টিই ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকে উল্লিখিত নারী শ্রমিকেরা প্লাস্টিক গলিয়ে ছাচে ফেলে পুতুল তৈরির পর রং দিচ্ছে। এভাবে নারীরা তাদের ভাগ্য ফেরাতে সক্ষম হয়েছে এবং পরিবারে তাদের গুরুত্ব বেড়েছে। বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি, যোগাযোগ, শিক্ষার মাধ্যমে। তরুণ সমাজের সাথে নারীরাও নিজেদেরকে দক্ষ করে তুলছে। ফলে নারীদের আত্মনির্ভরশীলতা ও ক্ষমতায়নের পথ সুগম করেছে। ঠিক একইভাবে আজ সারা বাংলাদেশে সামাজিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে নারীর অধিকার, ক্ষমতায়ন এবং মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নারী এখন শিক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে নিয়োজিত হচ্ছে, একসময় নারী শুধু গৃহস্থালির কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু আজ নারীরা বাংলাদেশের শহর এলাকায় পোশাক শিল্প, ওষুধ তৈরির কারখানা, টেলিফোন ও টেলিযোগাযোগ শিল্প, পাট, চা, কাগজ শিল্প, স্থাপত্য শিল্প, মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রভৃতি শিল্প ও কলকারখানায় চাকরি করছে। তাছাড়া শিক্ষিত নারীরা বিভিন্ন পেশা যেমন- চিকিৎসা, আইন, শিক্ষকতা, পুলিশ, বিচার বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে। তাছাড়া সরকারি প্রশাসন, পুলিশ, ডাক, সমবায়, আনসারসহ প্রায় সবগুলো ক্যাডারে নারীদের বিরাট অংশ চাকরি করছে। আমাদের গ্রাম পর্যায়ে নারীরা সরকারি সংস্থা কিংবা বেসরকারি সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। তাদের আয়ে সংসার চলছে, সন্তান পড়াশুনা করছে, পরিবারের সদস্যরা স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে।
তাই বলা যায়, নারীর ভূমিকায় এ পরিবর্তন নারীর অধিকার ও। ক্ষমতায়নের পথকে যেমন সুগম করেছে তেমনি নারীকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে।