1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত আফরোজা কলেজে যাওয়া-আসার সময় যৌন হয়রানির স্বীকার হয়। পাঠ্যবইয়ের ভাষায় একে ইভটিজিং বলা হয়।

যৌন হয়রানি একটি অমানবিক, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও আত্মসম্মান আঘাতমূলক অপরাধ। তাই যৌন হয়রানি বন্ধে বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ ও আইন প্রণয়ন করেছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (২০০৩ সালে সংশোধিত) যৌন হয়রানিকে শাস্তিমূলক অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে বলা হয়েছে- "যদি কোনো পুরুষ অযাচিতভাবে তার যৌন লালসা চরিতার্থ করার জন্য, নারী শালীনতা অবমাননার মাধ্যমে যৌন হয়রানিমূলক আচরণ বা কীর্তি ঘটালে তবে উক্ত ব্যক্তি অনুর্ধ্ব ৭ বছর এবং সর্বনিম্ন ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন।” যৌন হয়রানি একটি সামাজিক সমস্যা। এটি সমাজের একটি অভিশাপ। জনসচেতনতা এবং নৈতিক মূল্যবোধের চর্চার মধ্য দিয়েই আমরা এ অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে পারি। এ ব্যাপারে আমরা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব, উন্নত আচরণ, নারী ও পুরুষের সমঅধিকার, সম্মান ও মর্যাদার প্রতি সচেষ্ট হব।

5 views

Related Questions