1 Answers

উদ্দীপকের শেষোক্ত ঘটনা তথা সড়ক দুর্ঘটনা একটি পরিবারের সারা জীবনের কান্না। উদ্দীপকে সড়ক দুর্ঘটনার প্রভাব কাশেমের জীবনকে দুর্বিষহ করে দিয়েছে।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও দুর্ঘটনার প্রধান শিকার পথচারী। এ পথচারীদের সিংহভাগ নিহত হয় দেশের জাতীয় এবং আঞ্চলিক হাইওয়েতে। তবে পরিতাপের বিষয় নিহতের সংখ্যার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পথচারী শিশু ও পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। সড়ক দুর্ঘটনার প্রভাব পারিবারিক, সামাজিক এবং জাতীয় জীবনে খুবই মারাত্মক, যা আবার বহু সমস্যার জন্মদাতাও। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি দুর্ঘটনার শিকার হলে পরিবারটি প্রথমে আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। অনেক সময় দুর্ঘটনায় পতিত ব্যক্তি শারীরিকভাবে পঙ্গু হলে কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে যা তার ব্যক্তিজীবনকে ভারসাম্যহীন করে তোলে। মানুসিক ভারসাম্যহীনতা ব্যক্তি জীবনকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। এ সমস্যা কোনো কোনো ক্ষেত্রে আত্মহত্যার রূপ নেয়। আবার দেখা যায়, পঙ্গু ব্যক্তিটিকে ভিক্ষাবৃত্তির মতো পেশা গ্রহণ করতে। কেউ কেউ জীবিকা নির্বাহের জন্য অপরাধ জগতে প্রবেশ করে। সুতরাং সড়ক দুর্ঘটনা শুধু পারিবারিক জীবনকেই বিপর্যন্ত করে না। আর্থসামাজিক ও মানসিক জীবনকেও দুর্বিষহ করে তোলে। সড়ক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনেক ক্ষেত্রে ব্যাপক ভাংচুর, সড়ক অবরোধসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।

তাই বলা যায়, উদ্দীপকের শেষোক্ত ঘটনাটি হলো সড়ক দুর্ঘটনা। যা শুধু কাশেমের ব্যক্তি জীবন বিন নয় তার পারিবারিক জীবনকেও দুর্বিষহ করে তুলেছে।

5 views

Related Questions