1 Answers
জামিলার এ ধরনের আচরণ সন্তানের স্বাভাবিক বিকাশকে ব্যাহত করছে।
সুষ্ঠু পরিচালনার মাধ্যমে যেমন একটি শিশুকে উপযুক্তভাবে গড়ে তোলা যায়, ঠিক তেমনি সঠিক তত্ত্বাবধানের অভাবে তার মধ্যে অনেক ধরনের আচরণগত সমস্যা তৈরি হতে পারে (সমবয়সীদের সাথে না খেলা, নিজের খেলনা তাদের না দেওয়া, আক্রমণাত্মক আচরণ করা ইত্যাদি)। এর ফলে তার বর্তমান এবং পরবর্তী বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
শিশুর কাজের জন্য শাস্তি দিলে সেটি তার ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। শাস্তি দুই ধরনের হয়। যথা- শারীরিক ও মানসিক শাস্তি। শারীরিকভাবে আঘাত করা, খেতে না দেওয়া ইত্যাদি শারীরিক শাস্তি। আর মানসিক শাস্তি হলো শিশুকে নিয়ে খারাপ মন্তব্য করা, বকাবকি করা, দোষারোপ করা, তার প্রতি মনোযোগ না দেওয়া, তাকে লজ্জা দেওয়া, ঘরে বন্দী করে রাখা ইত্যাদি।
জমিলা সন্তানদের অতিরিক্ত শাসনে রাখেন। দুষ্টুমি করলে ঘর বন্দি করে রাখেন। এগুলো মানসিক শাস্তির অন্তর্ভুক্ত। এ ধরনের শাস্তি জমিলার সন্তানদের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেবে। ফলে তারা ভীতু এবং লাজুক হয়ে বেড়ে উঠবে। সুতরাং সন্তানদের প্রতি জমিলার আচরণ তাদের সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করবে।