1 Answers

পাত্রপাত্রী নির্বাচনের ভিত্তিতে পরিবার দুই ধরনের হয়। যেমন- বহির্গোত্র বিবাহভিত্তিক পরিবার এবং অন্তর্গোত্র বিরাহভিত্তিক পরিবার। কোনো ব্যক্তি যখন নিজের গোত্রের বাইরে বিয়ে করে তখন তাকে বহির্গোত্র বিবাহভিত্তিক পরিবার বলে। এ ধরনের পরিবার দু ধরনের। উঁচু বর্ণের পাত্রের সাথে নীচু বর্ণের পাত্রীর বিয়ের মাধ্যমে' গঠিত পরিবারকে অনুলোম বিবাহভিত্তিক পরিবার বলে। নীচু বর্ণের পাত্রের সাথে উঁচু বর্ণের পাত্রীর বিয়ের মাধ্যমে গঠিত পরিবারকে প্রতিলোম বিবাহভিত্তিক পরিবার বলে। এ ধরনের বিয়ের মূল কারণ সামাজিক অনাচার রোধ করা। আবার যখন কোনো ব্যক্তি নিজের গোত্রের মধ্যে বিয়ে করে তখন তাকে অন্তর্গোত্র বিবাহভিত্তিক পরিবার বলে। অন্তর্গোত্র ভিত্তিক বিয়ে হিন্দু সমাজেই অধিক প্রচলিত। এ ধরনের বিয়ের পেছনে যুক্তি ছিল নিজ গোত্রের মধ্যে তথাকথিত রক্তের বন্ধন ও বিশুদ্ধতা রক্ষা করা। বর্তমানে এ ধরনের পরিবার গঠনে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। অধিকাংশ হিন্দু পরিবার এ বর্ণপ্রথাকে কুসংস্কার মনে করে। উদ্দীপকে সুমনের বিয়ের ক্ষেত্রে তার পিতা চান অন্তর্গোত্রভিত্তিক বিবাহ। কিন্তু তার চাচা বহির্গোত্রের কোনো যোগ্য পাত্রীর সাথে বিয়ে দিতে চান।

অতএব বলা যায়, উদ্দীপকে সুমনের বিয়ের ক্ষেত্রে পাত্রপাত্রীর ভিত্তিতে পরিবারের জধরনের মাধ্যমে আমরা অন্তর্গোত্র ও বহির্গোত্রভিত্তিক বিবাহ পরিবার সম্পর্কে ধারণা পাই।

5 views

Related Questions