1 Answers

উদ্দীপকের তির্য্যের সাথে সাধক শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের মিল পাওয়া যায়।

উদ্দীপকের বর্ণনায় আমরা দেখতে পাই, তির্য্য ছোটবেলা থেকেই ছিল অত্যন্ত মেধাবী। সে বিদ্যালয়ের পড়াশুনায় মন বসাতে না পারলেও ধর্মীয় শাস্ত্রে পারদর্শী হয়ে ওঠে। সে শুনে শুনে রামায়ণ, মহাভারত ও ধর্মীয় গীতি মুখস্থ করে ফেলে। আস্তে আস্তে সে হয়ে ওঠে কালী সাধক। আর জীবসেবা করেই সে ঈশ্বর সেবায় মুগ্ধ থাকত। পাঠ্যপুস্তকের শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের চরিত্রেও আমরা দেখতে পাই, তিনি মাঝে মাঝে ভাবাবিষ্ট হয়ে পড়তেন। তাঁর স্কুলের লেখাপড়ায় কোনো মনোযোগ ছিল না। কিন্তু ভজন- কীর্তনের প্রতি প্রবল আকর্ষণ ছিল। লোকমুখে শুনে শুনে তিনি বহু স্তব-স্তোত্র এবং রামায়ণ-মহাভারতের কাহিনী আয়ত্ত করে ফেলেছিলেন। অবশেষে কালী সাধনায় মনপ্রাণ ঢেলে দিয়ে কালী সাধকে পরিণত হন। তার জীবনের উল্লেখযোগ্য দিক ছিল জীবসেবা। তিনি জীবসেবাকেই ঈশ্বর সেবা মনে করতেন।

সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের তির্য্য নামক চরিত্র এবং পাঠ্যপুস্তকের  শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের চরিত্র পুরোপুরি সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, তির্য্যের সাথে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের চরিত্রের মিল পাওয়া যায়।

4 views

Related Questions