1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত অরূপ ও মমতার দুটি সন্তানের সামাজিকীকরণে পরিবারের অর্থাৎ মা-বাবার ভূমিকাই মুখ্য। প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থই।

পরিবার হলো শিশুর সামাজিকীকরণের প্রধান মাধ্যম। মা-বাবাই শিশুর মধ্যে মূল্যবোধ, ন্যায়বোধ, সহিষ্ণুতা ও নাগরিক চেতনা শেখায়। তাদের সুষ্ঠু সামাজিকীকরণে মা-বাবার উভয়েরই ভূমিকা আছে। উদ্দীপকে অরূপ ও মমতা নিজেরা বিবাহ করে ঢাকায় একক পরিবার গঠন করেছে। তাদের দুটি সন্তানের কথাবার্তা ও আচরণে অরূপ ও মমতার ভূমিকা রয়েছে। তাদের সন্তান তাদের কাছ থেকে সকল সামাজিক নীতিবোধ অর্জন করবে। মা-বাবার সঠিক লালন- পালন সন্তানের মধ্যে সুষ্ঠু সামাজিকীকরণে নিশ্চিত করবে।

সুতরাং বলা যায়, অরূপ ও মমতার দুটি সন্তানের সামাজিকীকরণে তাদের অর্থাৎ মা-বাবার ভূমিকাই মুখ্য।

5 views

Related Questions

যুদ্ধ, নিপীড়ন, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বাঁচতে আজ সারা বিশ্বে ৮ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। বাস্তুচ্যুত মানুষের এ সংখ্যাা বাংলাদেশের জনসংখ্যা র প্রায় অর্ধেক । সারা বিশ্বের বাস্তুচ্যুতির প্রধান পাঁচটি উৎসদেশের একটি হচে।ছ মায়নমার। সেখান থেকে ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় দেয়। এই শরণার্থীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়: কিনুত তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা – এসব কিছুই সম্ভব নয় আন্তর্জাতিক মহলের একট সার্বিক উদ্যোগ ছাড়া। তার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ তাদের সুরক্সা, সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নোয়াখালীর ভাসানচরে তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা একটি স্বতন্ত্র আবাসস্থল নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রত্যেক শরণার্থীর রয়েছে ব্যক্তিগত দুঃখ –কষ্ট , বঞ্চনা ও যন্ত্রণার ইতিহাস। বাংলাদেশে আশ্রিত এসব রোহিঙ্গা নিয়মিত সংগ্রাম করে যাচ্ছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তারা আশাবাদী, একদিন তারা নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যেতে পারবে। (Translate to English)
1 Answers 8 Views