1 Answers

উদ্দীপকে নিলয় সাহেবের বক্তব্য অনুযায়ী বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়নে সাহায্য করে। পত্রপত্রিকার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক তথ্য ও অবস্থা প্রকাশ করে। কৃষি ও শিল্পের উন্নতির ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সক্রিয় ভূমিকা রাখে। দামস্তরের স্থিরতা বজায় রাখে। ব্যাংক ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করে। আমদানি, রপ্তানি নীতি প্রণয়নের ব্যাপারে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া, অন্যান্য ব্যাংকের মতো মুনাফা অর্জনই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান উদ্দেশ্য নয়; বরং দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং জনগণের কল্যাণ সাধনই এ ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য। এ ব্যাংক দেশের সমগ্র ব্যাংক ব্যবস্থার শীর্ষে অবস্থান করে তাদের অভিভাবক হিসেবে কাজ করে। উদ্দীপকের নিলয় সাহেব তার প্রতিবেশীদের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্পর্কে ধারণা দেন। তিনি বলেন, বিশ্বের প্রত্যেক দেশেই একটি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আছে। বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিছু উন্নয়নমূলক কাজ করে থাকে।

5 views

Related Questions

মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। সবুজ বনভূমির মাঝে দৃষ্টিনন্দন হ্রদ আর লাল ইটের তৈরি ইমারত ক্যাম্পাসকে আরও নান্দনিক করে তুলেছে। পাশাপাশি এ- ক্যাম্পাস ‘সংস্কৃতির রাজধানী' নামেও পরিচিত। এ ছাড়া প্রতি বছর শীতকাল এলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাশয়গুলো অতিথি পাখিতে পূর্ণ হয়ে যায়। তাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে অতিথি পাখির ক্যাম্পাস হিসেবেও অনেকে চেনেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাসকে ভিত্তি করে নির্মিত কয়েকটি ভাস্কর্য এ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সবুজের মাঝে কংক্রিট বা ব্রোঞ্জে তৈরি ভাস্কর্যগুলো দাঁড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও ভাষা আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি হয়ে । এসব ভাস্কর্য এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস পৌছে দিচ্ছে। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনাকে স্মরণ রাখতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণ করা হয় ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক'। যুদ্ধে জয়লাভ অথবা মৃত্যু – এই শপথে আবদ্ধ থেকে লড়াই করেন। যে অকুতোভয় বীর, তিনিই সংশপ্তক। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে স্থাপিত এই ভাস্কর্যটির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত, এক পা হারিয়েও রাইফেল হাতে লড়ে যাওয়া দেশমাতৃকার এক বীরসন্তানকে। ভাস্কর্যটির নির্মাতা শিল্পী হামিদুজ্জামান খান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্রোঞ্জের অবয়বে প্রতীকী ব্যঞ্জনায় প্রকাশ করার চেষ্টা করেছেন। আজকের প্রজন্মের কাছে ভাস্কর্যটি যে-কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের অনিঃশেষ প্রেরণা। হিসেবে কাজ করে।
1 Answers 6 Views