1 Answers

শহিদুলের পিতা যার বাসভবনে চাকরি করেন তার ক্ষমতা ও কার্যাবলির সাথে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কার্যাবলির মিল রয়েছে। 

উদ্দীপকে দেখা যায়, শহিদুলের পিতা এমন একজন ব্যক্তির বাসভবনে চাকরি করেন যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন, দন্ড মওকুফ এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগদান করেন; অর্থাৎ তিনি রাষ্ট্রপতি। পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতি সবার উপরে। সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রের প্রধান। সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না। রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান করেন। প্রতিটি নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনের ও প্রতি নতুন বছরের অধিবেশনের সূচনায় রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণদান করেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সংসদ আলোচনা করে। সংসদ ভেঙে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। এ অধ্যাদেশ সংসদের আইনের মতো ক্ষমতাসম্পন্ন হয়। রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ করেন। প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না। রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা রয়েছে যেকোনো দন্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার। সরকারি ব্যয়সংক্রান্ত কোনো বিল সংসদে উত্থাপন করতে হলে তাতে রাষ্ট্রপতির সুপারিশ লাগে। বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত। তিনি বহিঃশত্রুর আক্রমণ মোকাবিলার জন্য যেকোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। সুতরাং এটি স্পষ্ট, শহিদুলের পিতা যার বাসভবনে চাকরি করেন তিনি হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি।

4 views

Related Questions