1 Answers
হ্যাঁ, আমি মনে করি ধর্ম মানুষের নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টিতে সহায়ক।
ধর্ম হলো লিপিবদ্ধ সুবিন্যস্ত প্রত্যাদেশসমূহ, যেগুলো সাধারণত সৃষ্টিকর্তা প্রত্যাদিষ্টের মাধ্যমে বাহিত ও প্রচারিত। সৃষ্টিকর্তাকে ভক্তি ও ধর্মানুষ্ঠান নির্ভর আচার-আচরণ ও প্রথাসমূহের প্রতি বিশ্বাস নির্ভর আনুগত্য; যা সাধারণত আধ্যাত্মিক ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাস এর সাথে সম্পর্কযুক্ত এবং বিশেষ পূর্বপুরুষ হতে প্রাপ্ত ঐতিহ্য, জ্ঞান এবং প্রজ্ঞা, রীতিনীতি ও প্রথাকে মানা এবং সে অনুসারে মানব জীবন পরিচালনাকে বোঝায়। পৃথিবীতে যতগুলো ধর্ম রয়েছে প্রত্যেক ধর্মেরই নিজস্ব আচার, রীতিনীতি রয়েছে। যা স্ব-স্ব ধর্মের অনুসারিগণ পবিত্র মনে করে পালন করে ও মেনে চলে। কোনো ধর্মই অনৈতিক কিছু সমর্থন করে না। বরং প্রত্যেক ধর্মই সদা সত্য কথা বলা, অন্যের ক্ষতি না করা, সম্ভব হলে উপকার করা, বাবা-মায়ের সেবা করা, বয়স্কদের সম্মান করা, নিজ দেশকে ভালোবাসা এবং প্রয়োজনে দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করা প্রভৃতি নৈতিক শিক্ষা প্রদান করে। এ নৈতিকতা মানুষের মধ্যে এক ধরনের মূল্যবোধের জন্ম দেয়। সমাজে সংরক্ষণ ইত্যাদি কাজসমূহ করে। এছাড়াও রাষ্ট্র বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, মানবসম্পদ পরিচালনা ও উন্নয়ন এবং সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কর্মসূচি গ্রহণাষ্ট্রের উন্নয়নে করে। উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে এটাই সুস্পষ্ট, রাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি তবে সরকার কল্যাণকামী হওয়ায় তাকে আরও নানাবিধ কল্যাণমূলক ঐচ্ছিক কাজ সম্পাদন করতে হয়।