1 Answers

ধর্মকীর্তি স্থবিরের দেশনায় অনুপাদিসেস নির্বাণের ইঙ্গিত রয়েছে। নির্বাণদর্শী মুক্ত পুরুষ পঞ্চস্কন্ধের বিনাশ করে যখন পরিনির্বাণ প্রাপ্ত হন তখন তাকে বলে অনুপাদিসেস নির্বাণ। এ নির্বাণ হলো সম্পূর্ণভাবে নির্বাপিত হওয়া। এ নির্বাণপ্রাপ্ত ব্যক্তি পুনরায় প্রজ্বলিত হবেন না। অর্থাৎ তিনি আর জন্মগ্রহণ করবেন না। তিনি সম্পূর্ণরূপে জন্ম-মৃত্যুর শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়েছেন। এ প্রকার নির্বাণের কোনো পরিণাম নেই, এ অবস্থা বর্ণনাতীত। এতে সুখ-দুঃখের উপশম হয়। সুখ-দুঃখের উপশমই পরম সুখ। অনন্ত সংসারপ্রবাহের এখানেই অবসান হয়। এজন্যেই বুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, 'নিব্বানং পরমং সুখং' অর্থাৎ নির্বাণই পরম সুখ।

যেমন করে অন্যদেরও বিঘ্নিত হয়। নির্বাণ সাধনায় রত ব্যক্তিকে সবসময় কুশল কর্ম করতে হয়। চারি আর্যসত্য সম্যকভাবে উপলব্ধি করে দুঃখের কারণ তৃষ্ণা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ অনুসরণ করতে হয়। অক্লান্ত সাধনায় লোভ- দ্বেষ-মোহহীন হয়ে অবিদ্যা দূর করতে হয়। অবিচ্ছিন্ন নির্বাণ সাধনায় তিনি নির্ভয় ও কল্যাণকামী হন। ফলে তিনি নিজের ও সকলের কল্যাণ সাধন করেন। 

আচার্য নাগর্জুন নির্বাণের নিম্নরূপ ব্যাখ্যা করেছেন:

অপ্রতীতম, অসম্প্রাক্তম, অনুচ্ছিন্নম, অশাশ্বতম,

অনিরুদ্ধম্ অনুৎপন্নম, এব নিব্বানং উচ্যতে।

5 views

Related Questions