1 Answers
বুদ্ধের ধর্ম-দর্শনের সহজ ও যথাযথ ভাষ্য বা ব্যাখ্যার উপযোগিতাই অটঠকথা রচনার পটভূমি।
ত্রিপিটকের বিষয়বস্তুর সহজ-সরল ব্যাখ্যাস্বরূপ পালি ভাষায় যে সাহিত্যকর্ম রচিত হয় যা পালি সাহিত্যের ইতিহাসে অট্ঠকথা নামে পরিচিত।
ত্রিপিটকের বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে রচিত হলেও অট্ঠকথা পালি ত্রিপিটকের অন্তর্গত নয়, একটি স্বতন্ত্র ধারার সাহিত্য কর্ম হিসেবে স্বীকৃত। অষ্টকথা সাহিত্যে বুদ্ধের ধর্ম-দর্শন ব্যাখ্যার পাশাপাশি প্রসঙ্গক্রমে প্রাচীন ভারত ও শ্রীলঙ্কার ধর্ম, দর্শন, সমাজ সংস্কৃতি, রাজনীতি, অর্থনীতি, ভূগোল প্রভৃতি নানাবিধ বিষয়ও আলোচিত হয়েছে।
দুঃখমুক্তির অমিয় বাণীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ভারতবর্ষের নানাজাতি, নানাকুল এবং নানা শ্রেণির অসংখ্য মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন বুদ্ধের সঙ্ঘে। বৌদ্ধ সঙ্ঘে ভিক্ষু-ভিক্ষুণী যেমন ছিলেন, তেমনি ছিলেন স্বল্পজ্ঞানীও। ফলে বুদ্ধের ধর্মোপদেশ সবার পক্ষে হৃদয়ঙ্গম করা সম্ভব হতো না। ফলে বুদ্ধের জীবিতকালেই তাঁর ধর্মোপদেশের বিভিন্ন বিষয়ের অর্থসহকারে ব্যাখ্যার প্রয়োজন থেকে উৎপত্তি হয় অঠকথা সাহিত্যের।