1 Answers
অরিত্র ও আদ্রিতার জীবনে কর্মের যে বিধানটি প্রতিফলিত হয়েছে তা চূল্পকর্ম বিভঙ্গ বা ক্ষুদ্রকর্ম বিভঙ্গ সূত্রে বর্ণিত আছে।
মধ্যম নিকায়ের (তৃতীয় খণ্ড) ১৩৫নং সূত্রে কর্ম ও কর্মের ফল সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা রয়েছে। সেই সূত্রে জানা যায়, তোদেয়্য ব্রাহ্মণের পুত্র শুভ মাণবকের সাথে আনন্দময় আলাপের মাধ্যমে তথাগত বুদ্ধ কর্ম ও কর্মফল ব্যাখ্যা করেন। শুভ মাণবক মহাপরিবারে জন্ম নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তখন বুদ্ধ মহাপরিবারে জন্ম নেওয়ার কারণ বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন-
'হে মাণবক! কোনো কোনো নারী বা পুরুষ ঈর্ষাপরায়ণ হয় না। যশ-গৌরব, সম্মান, শ্রদ্ধা, পূজা পাওয়া লোকদের তারা ঈর্ষা করে না। ঈর্ষার কারণে কারো প্রতি আক্রোশ প্রকাশ করে না। দোষী বলে সাব্যস্থ করে না। এজন্য তারা স্বর্গে যায়। মানুষ হিসেবে জন্মগ্রহণ করলে মহাপরিবারে জন্ম নেয়। এটাই মহাপরিবারে জন্ম নেওয়ার কারণ। অর্থাৎ অরিত্র ও আদ্রিতা উপরিউক্ত কারণে বিত্তশালী পরিবারে জন্ম নিয়েছেন।