1 Answers
উদ্দীপকে শ্রী সত্যানন্দ গোস্বামী শিষ্যদেরকে লীলাবতার সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছিলেন।
হিন্দুধর্মের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে অবতারবাদে বিশ্বাস। এ অবতার তিন পর্যায়ের হয়ে থাকে- গুণাবতার, লীলাবতার আবেশাবতার। পৃথিবীতে মৎস্য, কূর্ম, বরাহ প্রভৃতি স্থূল দেহধারী ও জীবের মূর্তিতে অবতীর্ণ হয়ে পরমেশ্বর যে কর্মকাণ্ড করেন তাকে বলা হয় লীলাবতার। উদ্দীপকের সাধক ও ধর্মগুরু শ্রী সত্যানন্দ গোম্বামী যে গ্রন্থ পাঠ করে শিষ্যদের শোনালেন সেখানে বিষ্ণুর মৎস্য, কূর্ম, বরাহ ও নৃসিংহ রূপের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। বিষ্ণুর এ অবতারবাদকে লীলাবতার বলা হয়। বিষ্ণুর দশাবতারের কথা জানা যায়। এঁরা হলেন- মৎস্য, কূর্ম, বরাহ, নৃসিংহ, বামন, পরশুরাম, রাম, বলরাম, বুদ্ধ এবং কল্কি। পৌরাণিক কাহিনি থেকে জানা যায়, বেদ প্রলয় পয়োধি জলে নিমগ্ন হলে ভগবান বিষ্ণু মৎস্যরূপ ধারণ করে বেদকে উদ্ধার করেন। এরপর পৃথিবী জলপ্লাবিত হলে কূর্মরূপে ভগবান পৃথিবীকে পৃষ্ঠে ধারণ করেন। পুনরায় পৃথিবী জলপ্লাবিত হলে ভগবান বরাহরূপে পৃথিবীকে দণ্ডে ধারণ করেন। নৃসিংহরূপে অবতীর্ণ হয়ে তিনি অত্যাচারী দৈত্যরাজ হিরণ্যকশিপুকে বধ করেন এবং ভক্ত প্রহলাদকে রক্ষা করেন। উদ্দীপকে ভগবান বিষ্ণুর এ সকল অবতার রূপকেই গ্রন্থের আলোচনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।