1 Answers
জনাব জলিলের বক্তব্যে বিশ্ববিখ্যাত চিকিৎসাবিজ্ঞানী ইবনে সিনার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
ইবনে সিনা বিশ্ববিখ্যাত চিকিৎসাবিদ ও দার্শনিক। তিনি দশ বছর বয়সে পবিত্র কুরআন হিফজ করেন। চিকিৎসাশাস্ত্রে তাঁর অসাধারণ অবদানের জন্য তাঁকে আধুনিক চিকিৎসাশাস্ত্র ও চিকিৎসা প্রণালি এবং শল্য চিকিৎসার দিশারি মনে করা হয়। ইবনে সিনা ২৪ খানি ছোট ও ২১ খানি সুবৃহৎ গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। কেউ কেউ তাঁর বই সংখ্যা শতাধিক বলে উল্লেখ করেছেন। চিকিৎসা বিষয়ে 'কানুন ফিত্ তিব্ব' গ্রন্থটি একটি অনবদ্য সৃষ্টি। চিকিৎসা বিষয়ে এর সমপর্যায়ের কোনো গ্রন্থ আজ পর্যন্ত দেখা যায় না। ড. ওসলার এ গ্রন্থকে চিকিৎসাশাস্ত্রের বাইবেল বলে উল্লেখ করেছেন। চিকিৎসা সম্বন্ধীয় যাবতীয় তথ্যের আশ্চর্য রকম সমাবেশ থাকার কারণে গ্রন্থটিকে ইউনানী ও জারবী চিকিৎসাশাস্ত্রের বৃহৎ সংহতি বলা চলে।
জনাব জলিলে মন্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে মধ্যযুগের একজন চিকিৎসকের কথা। যিনি ছিলেন কুরআনের হাফিজ এবং শল্যচিকিৎসার দিশারী। তার এসব বৈশিষ্ট্য মধ্যযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ চিকিৎসক ইবনে সিনার বৈশিষ্ট্যের সাথে সামঞ্জস্যশীল। তাই বলা যায়, জনাব জলিলের বক্তব্যে ইবনে সিনাকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে।