1 Answers

'গ' সবসময় তার বড় ভাইয়ের প্রতি শত্রুতা পোষণ করে। সে নিজের স্বার্থকে বড় করে দেখে। তার এসব কর্মকাণ্ডে হিংসার প্রতিফলন ঘটেছে। হিংসার কুফল অত্যধিক। যেমন-

১. সামাজিক জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে: সামাজিক জীব হিসেবে মানুষ একত্রে বসবাস করে। এক্ষেত্রে কেউ কাউকে হিংসার চোখে দেখলে সামাজিক জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিষহ। হিংসার কুফল হিসেবে মানুষের জীবনের অগ্রগতি থেমে যায়। মানুষের পতনের মূল কারণ হলো হিংসা-বিদ্বেষ।

২. আল্লাহর নির্দেশ : হিংসা-বিদ্বেষ থেকে বেঁচে থাকার জন্য আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন। 

৩. হযরত লুকমানের উপদেশ: হযরত লুকমান (আ.) হিংসা প্রসঙ্গে তাঁর ছেলেকে যে উপদেশ দিয়েছিলেন তা কুরআনের' ভাষায়- "তুমি হিংসায় লোকের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিও না।” এ আয়াত দ্বারা বোঝা যায়, হিংসার পরিণতি মারাত্মক। যার জন্য আল্লাহ স্বয়ং এটি পরিহার করার জন্য মানুষকে উপদেশ দিয়েছেন।

৪. নেক আমল বিনষ্ট করে দেয়: হিংসা-বিদ্বেষ মানুষের নেক আমল বিনষ্ট করে দেয়। মহানবি (স.) হিংসা-বিদ্বেষের মারাত্মক পরিণতি উল্লেখ করে বলেন, “তোমরা হিংসা থেকে সাবধান 'থাক। কারণ আগুন যেমন শুকনো কাঠকে খেয়ে ফেলে, হিংসাও তেমনি (মানুষের) সৎকর্মগুলো খেয়ে ফেলে।”

পরিশেষে বলা যায়, মুসলিম জাতির ঐতিহ্য হিসেবে আমাদের হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে জীবন পরিচালনা করা কর্তব্য। তাহলে আমাদের জীবন হবে প্রস্ফুটিত, গোলাপের ন্যায় নিষ্কলুষ। সমাজ থেকে দূরীভূত হবে পারস্পরিক জিঘাংসা, শান্তির ঢল নেমে আসবে আমাদের সমাজে। এটাই সকলের কাম্য।

6 views

Related Questions