1 Answers

রমিজ সাহেব একটি কারখানার মালিক। শ্রমিকদের সাথে রমিজ সাহেবের আচরণ সন্তোষজনক নয়। ইসলামি রীতিনীতির আলোকে তার আচরণ যেরূপ হওয়া উচিত তা নিচে আলোচনা করা হলো-

১. পরস্পর সহযোগী মনে করবে: পণ্য উৎপাদনে মালিক দেয় মূলধন এবং শ্রমিক দেয় শ্রম। মূলত পণ্য উৎপাদনে মূলধন ও শ্রম অপরিহার্য। এছাড়া উৎপাদন সম্ভব নয়। কাজেই উৎপাদনের ক্ষেত্রে পরস্পরকে পরস্পরের সহযোগী মনে করতে হবে।

২. পরস্পর ভাই মনে করবে: মজুরের মর্যাদা ও অধিকার সম্পর্কে মহানবি (স.) বলেছেন, "যারা তোমাদের কাজ করে জীবিকা উপার্জন করে, সে শ্রমিক তোমাদের ভাই, আল্লাহ তাদেরকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন।” হাদিসের এ উদ্ধৃতি প্রমাণ করে ইসলামে শ্রমিক ও মালিকের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক বিদ্যমান।

৩. শ্রমিকের মৌলিক অধিকার পূরণ করবে: শ্রমিকের কতিপয় মৌলিক অধিকার রয়েছে। যেমন- ছুটি, বিশ্রাম, চাকরির নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয়ে মালিকের যথাযথ দায়িত্ব পালন করা উচিত।

৪. কাজে কিংবা মজুরি প্রদানে বাধ্য না করা যাবে না: শ্রমিককে যেমন অতিরিক্ত কাজে বাধ্য করা মালিকের উচিত নয়, তেমনি অযৌক্তিক বা অতিরিক্ত বেতন প্রদানেও মালিককে বাধ্য করা উচিত নয়।

অতএব বলা যায়, শ্রমিক-মালিকের কার্যকলাপের যে নীতিমালা ইসলাম দিয়েছে রমিজ সাহেব তা অনুসরণ করে চলবে। অর্থাৎ রমিজ সাহেব ইসলামি রীতিনীতির আলোকে তার আচরণে পরিবর্তন ঘটাবে।

4 views

Related Questions