1 Answers

উদ্দীপকে নিউটনের ব্যাখ্যায় নিম্নোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো ফুটে ওঠে-

* বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রকল্পের সাথে যুক্ত, কোনো ঘটনাকে ব্যাখ্যা করার উদ্দেশ্য হলো ওই ঘটনার কার্যকারণ সম্পর্ককে ব্যাখ্যা করা। আর কার্যকারণ সম্পর্ককে ব্যাখ্যা করতে হলে প্রথমে ঘটনাটির মধ্যে নিহিত কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার করতে হয়। কিন্তু কোনো ঘটনার কার্যকারণ সম্পর্ককে সরাসরি আবিষ্কার করা সম্ভম্ব হয় না; বরং কার্যকারণ সম্পর্ক থাকতে পারে- প্রথমে এমন একটি বিষয় অনুমান করতে হয়। আর এ প্রাথমিক আনুমানিক ধারণাই হচ্ছে প্রকল্প। কাজেই কোনো ঘটনার কার্যকারণ সম্পর্ক জানার ক্ষেত্রে প্রথমেই একটি প্রকল্প গঠন করতে হয়। আর এদিক থেকে প্রকল্প বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার সাথে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত। যেমন: বিজ্ঞানী নিউটন জড়বস্তুর নিম্নমুখীগতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মাধ্যাকর্ষণ শক্তিকে প্রকল্প হিসেবে গঠন করেছিলেন। কাজেই দেখা যাচ্ছে, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে প্রকল্পের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

* বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় সংযোগ ক্রিয়া বর্তমান। কোনো ঘটনাকে ব্যাখ্যা করতে হলে অনুরূপ অন্যান্য ঘটনার সাথে মৌলিক সাদৃশ্যের ভিত্তিতে তার সম্পর্ক বা সংযোগ স্থাপন করতে হয়। আর এভাবে সংযোগ স্থাপন করাকেই বলে সংযুক্তকরণ। কাজেই এদিক থেকেই বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার মধ্যে সংযোগক্রিয়া বর্তমান। যেমন: উদ্দীপকে নিউটন আপেলের সাথে অন্যান্য বস্তুর সংযোগ স্থাপন করেন।

5 views

Related Questions