1 Answers

হ্যাঁ, আমি উদ্দীপকে সজীবের বাবার পরামর্শটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার অনুকূল বলে মনে করি। নিচে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হলো-

বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার মূল লক্ষ্য হলো কোনো বিশিষ্ট ঘটনার কারণ আবিষ্কার করা। অর্থাৎ বৈজ্ঞানিক ঘটনাটি যে কার্যকারণ নিয়মে সংঘটিত হয়, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় মূলত তা-ই ব্যক্ত করা হয়। উদ্দীপকে সজীব বিজ্ঞানের ছাত্র। সে পদার্থবিদ্যার একটি বিষয় পড়তে বসেছে। কিন্তু তা তার কাছে বোধগম্য হচ্ছিল না। তাই তার বাবা বিষয়টি কয়েকটি অংশে ভাগ করে পড়তে পরামর্শ দিলেন, যা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার তিনটি রূপের নির্দেশক। প্রথমরূপটি হলো বিশ্লেষণ, যার অর্থ হলো কোনো বিষয় বা ঘটনাকে বিভিন্ন অংশে বিভক্ত করা, যাতে কোনো বিষয়কে সহজ ও প্রাঞ্জলভাবে উপস্থাপন করা। দ্বিতীয় রূপটি হলো শৃঙ্খলযোজন, যার অর্থ হলো কোনো বিষয়কে পর্যায়ক্রমিকভাবে উপস্থাপন করা। তাই সজীবের বাব সজীবকে বিষয়টির শৃঙ্খলযোজন করতে বলেন। অর্থাৎ একটি বিষয় যাতে পর্যায়ক্রমিকভাবে উপস্থাপিত হয়। পরবর্তীকালে কোনো বিষয়কে যাতে কোনো ঘটনার অন্তর্ভুক্তি করা যায়। আর অন্তর্ভুক্তি হলো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার অন্যতমরূপ, যা উদ্দীপকের বিষয়াবলির ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে এ কথা বলা যায়, সজীবের বাবা তাকে পঠিত বিষয়টি কয়েকটি ভাগে ভাগ করে পর্যায়ক্রমিকভাবে পড়তে বলেছিলেন, যাতে বিষয়টি সজীবের বোধগম্য হয়।

5 views

Related Questions