1 Answers
উদ্দীপকে করিমের চিন্তাধারার প্রতিফলন যে ধরনের ব্যাখ্যা নির্দেশ করে তা হলো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এবং কেন করে নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
ঘটনাবলির মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার ও প্রমাণের মাধ্যমে এবং প্রাকৃতিক নিয়ম ও বিশেষ তথ্যের উল্লেখের ভিত্তিতে আলোচ্য ঘটনার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য এবং এর বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ সম্বন্ধগুলোকে বিচার-বিশ্লেষণের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ঘটনার বর্ণনা প্রদানের প্রক্রিয়াই হচ্ছে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। বস্তুত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার স্বরূপ সম্পর্কে যুক্তিবিদ কার্ডেথ রিডের বক্তব্যটি এক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেন, “ঘটনাসমূহের মধ্যকার নিয়মাবলি আবিষ্কার, অবরোহণ ও সংযুক্তকরণের মাধ্যমেই গঠিত হয় বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।” যেমন : 'চন্দ্রগ্রহণ'কে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে যদি বলা হয়, 'সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ যখন এক সমান্তরালে এসে পড়ে, তখন পৃথিবীর ছায়ার মধ্য দিয়ে চাঁদকে অতিক্রম করতে হয় বলে চন্দ্রগ্রহণ হয়', তাহলে এ ব্যাখ্যাটি হবে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। কারণ এখানে চন্দ্রগ্রহণের ঘটনাটিকে প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মের অধীনে এনে সহজবোধ্য করে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। কাজেই আলোচ্য ব্যাখ্যাটিকে একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা হিসেবে অভিহিত করা যায়।
উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, উদ্দীপকে করিমের চিন্তাধারার প্রতিফলন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নির্দেশ করে।