1 Answers

যারা চোখে দেখতে পায় না তাদেরকেই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বলা হয়। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের ক্ষেত্রে শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষা উপকরণ অথবা শিক্ষার পরিবেশের পরিবর্তন করা না হলে শিশুর সর্বোচ্চ শিক্ষণ ও সাফল্য অর্জন সম্ভব হয় না।

দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতার মাত্রার ভিত্তিতে বিশেষ ধরনের শিক্ষাদান পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। যেমন-

১. ব্রেইলভিত্তিক লিখন ও পঠন পদ্ধতি: দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুরা চোখে দেখার মাধ্যমে লিখতে ও পড়তে পারে না সেজন্য বিশেষ পদ্ধতিতে লেখা ও পড়া শিক্ষা দেওয়া হয়। ব্রেইল নামের এ পদ্ধতিতে স্পর্শের মাধ্যমে অনুভব করার উপযোগী উঁচু ফোঁটা ব্যবহার করা হয়। এ পদ্ধতিতে মোট ৬টি উঁচু ফোঁটা দিয়ে সকল বর্ণ ও সংখ্যা তৈরি করে লেখা ও পড়ার ব্যবস্থা করা যায়। ছোট বয়স থেকেই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের ব্রেইল পদ্ধতির মাধ্যমে লেখা ও পড়ার শিক্ষা দেওয়া যায়। টাইপ রাইটার ধরনের মেশিনে ব্রেইল পদ্ধতিতে লেখা যায় এবং স্লেট ও শক্ত কাঠি দিয়েও লেখা যায়। এজন্য কিছুটা মোটা কাগজ ব্যবহার করা হয়। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুরা হাত দিয়ে স্পর্শ করে লেখা পড়তে পারে।

২. অপটাকন ও কারজওয়েল রিডিং মেশিনভিত্তিক পঠন পদ্ধতি: অপটাকন নামক ইলেকট্রনিক যন্ত্র দিয়ে সাধারণ ছাপার লেখা ব্রেইল পদ্ধতির স্পর্শযোগ্য অনুভূতি তৈরি করা যায়। এ যন্ত্র ব্যবহার করে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুরা সাধারণ ছাপার বইপত্র পড়তে পারে। অপটাকন যন্ত্রটি টাইপ রাইটার, ক্যালকুলেটর বা কম্পিউটার যন্ত্রের সাথে ব্যবহার করা যায়। কারজওয়েল রিডিং মেশিন সাধারণ ছাপার লেখা শব্দ উচ্চারণ করে শোনাতে পারে।

6 views

Related Questions